শুক্রবার ● ১৬ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে সরকারি কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৭      ● ​ফরিদপুর থানায় পুলিশের অভিযানে ১৫৫ পিস ইয়াবা, ৫৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৫ জন গ্রেপ্তার      ● মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা নারী শ্রমিক নিহত       ● চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায়ী শিক্ষকদের সংবর্ধনা      ● নোয়াখালীতে বিশ্ব এনেসথেসিয়া দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা      ● বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বলতে কিছু নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: টুকু      ● মেধাতালিকায় ২৮তম হয়েও ৪৫তম বিসিএসের গেজেটে নেই মনিরের নাম      ● ঘুরে দাঁড়াচ্ছে রিজার্ভ, বেড়ে ৩৬.৩০ বিলিয়ন ডলার      ● মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেও বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম      ● সিজেপির পদযাত্রা ঘিরে দিল্লিতে কড়াকড়ি, সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ      ● শাকিব খানের ‘সোলজার’ সিনেমার মুক্তি অনিশ্চিত      ● প্রথমবার মেয়ের ছবি প্রকাশ করে আবেগঘন বার্তা অপূর্বর      
সুস্থ জীবনযাপনের সহজ ৭টি উপায়
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

সুস্থ ও সুন্দর জীবন পেতে মেনে চলুন যেসব অভ্যাস

সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের জন্য খুব বেশি পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের কিছু ছোট অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত ঘুম, সুষম খাবার, শরীরচর্চা এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়গুলো সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ব্যস্ততার মধ্যেও এসব অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে দৈনন্দিন জীবন আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়ে উঠতে পারে।

১. নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম

শরীর ও মন সতেজ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। নিয়মিত একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক ঘুমচক্র বজায় রাখতে সহায়তা করে। ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোন ব্যবহার কমানো এবং শান্ত পরিবেশে ঘুমানোর ব্যবস্থা করাও উপকারী।

২. সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস

সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য, ডাল, মাছ, ডিম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা কিংবা অনিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলা ভালো। বয়স ও শারীরিক চাহিদা অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।

৩. প্রতিদিন শরীরচর্চা

শরীর সক্রিয় রাখতে নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, পেশির শক্তি বজায় রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। ব্যস্ততার কারণে একটানা ব্যায়াম করা সম্ভব না হলে দিনের বিভিন্ন সময়ে অল্প অল্প করে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

৪. পর্যাপ্ত পানি পান

শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পানিশূন্যতা দেখা দিলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতি হতে পারে। তাই দিনের বিভিন্ন সময়ে নিয়মিত পানি পান করা উচিত। গরম আবহাওয়া, শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী পানির চাহিদা ভিন্ন হতে পারে। যাঁদের কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে পানি পানের পরিমাণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা প্রয়োজন।

৫. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ

দৈনন্দিন জীবনের কাজ, পারিবারিক দায়িত্ব ও নানা দুশ্চিন্তা থেকে মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে ঘুম, মনোযোগ ও দৈনন্দিন কাজের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এ চাপ সামলাতে নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা, পছন্দের কাজ করা, নিয়মিত হাঁটা এবং পরিবার-পরিজনের সঙ্গে সময় কাটানো সহায়ক হতে পারে। প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

৬. মোবাইল ও স্ক্রিন ব্যবহারে ভারসাম্য

বর্তমানে কাজ ও বিনোদনের বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস। তবে দীর্ঘ সময় একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে অস্বস্তি, ঘাড়ে ব্যথা এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কাজের ফাঁকে বিরতি নেওয়া, কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করা এবং ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার কমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। অবসর সময়ে বই পড়া, বাগান করা কিংবা বাইরে সময় কাটানোর মতো কাজও বেছে নেওয়া যেতে পারে।

৭. ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা

সুস্থ জীবনযাপনে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব অনেক। নিয়মিত হাত ধোয়া, দাঁত পরিষ্কার রাখা, পরিষ্কার পোশাক পরা এবং ঘরবাড়ি পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে খাবার তৈরির আগে ও খাওয়ার আগে, শৌচাগার ব্যবহারের পর এবং বাইরে থেকে ঘরে ফিরে হাত ধোয়া জরুরি। পাশাপাশি নিয়মিত দাঁতের যত্ন নেওয়া ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও ভালো অভ্যাসের অংশ।

অভ্যাস গড়তে প্রয়োজন ধারাবাহিকতা

সুস্থ জীবনযাপনের জন্য একসঙ্গে সব অভ্যাস পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। বরং ছোট ছোট পরিবর্তন দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সেগুলো দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করে তোলা ভালো। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং মানসিক সুস্থতার দিকে নজর দিলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে পারে। তবে ব্যক্তির বয়স, শারীরিক অবস্থা ও স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন অনুযায়ী অভ্যাসে পরিবর্তন আনা উচিত।




স্বদেশ প্রতিদিন/এফএইচ






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close