প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩২ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে ইরান সীমান্তের দিকে ডজনখানেক যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে ইসরাইল। গত সোমবারের এ অভিযানে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও অংশ নেয়। ইসরাইল থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি দূরে পরিচালিত এ অভিযানকে ইরানকে সামরিক শক্তির বার্তা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস ইসরাইলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা পেরিয়ে ইরানের সীমান্তের দিকে অগ্রসর হয়। তাদের উড্ডয়নপথ ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার জন্য ব্যবহৃত পথের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তবে সীমান্তের কাছে পৌঁছানোর পর বিমানগুলো দিক পরিবর্তন করে ইসরাইলে ফিরে আসে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন কর্মকর্তা এটিকে নিয়মিত সামরিক মহড়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একই দিনে ইসরাইলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমান অভিযানের সঙ্গে হেগসেথের সফরের সম্পর্ক ছিল না।
অভিযানটি নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে ভিন্ন ধরনের সন্দেহও তৈরি হয়েছে। কয়েকজনের ধারণা, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলোর গতিবিধি শনাক্ত করতে পারবে, তা জেনেই অভিযান চালানো হয়েছিল। সূত্রগুলোর দাবি, অভিযান শুরুর আগে ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি জানিয়েছিল এবং নির্বাচনের আগে ইরানকে ইসরাইলে হামলা চালানো থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের কথা বলেছিল। তবে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা সন্দেহ করছেন, ইরান যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে সেটিকে পাল্টা আক্রমণের যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারত। এসব সন্দেহের বিষয়ে নিশ্চিত প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি