প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ পিএম

শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক রুক্ষ, খসখসে ও টানটান হয়ে যেতে পারে। এ সময় ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভ্যাসলিন এবং গ্লিসারিন বেশ উপকারী। তবে দুটির কাজের ধরন আলাদা। গ্লিসারিন ত্বকের ওপরের স্তরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে, আর ভ্যাসলিন ত্বকের ওপর সুরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে পানির অপচয় কমায়। তাই কোনটি বেশি ভালো, তা নির্ভর করে ত্বকের ধরন ও শুষ্কতার মাত্রার ওপর।
ভ্যাসলিন কখন ব্যবহার করবেন? ঠোঁট ফাটা, হাত-পায়ের রুক্ষতা, গোড়ালি ফাটা এবং অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে ভ্যাসলিন কার্যকর হতে পারে। গোসলের পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকা অবস্থায় অল্প ভ্যাসলিন ব্যবহার করলে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুবিধা হয়। তবে মুখে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থাকলে সতর্ক থাকা ভালো, কারণ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এটি ব্রণের সমস্যা বাড়াতে পারে।
গ্লিসারিন কখন উপকারী? গ্লিসারিন একটি হিউমেকট্যান্ট, অর্থাৎ এটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। হালকা অনুভূতির ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এটি শুষ্ক ত্বকের যত্নে ব্যবহার করা যায়। তবে সরাসরি ঘন গ্লিসারিন ব্যবহারের বদলে উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজারে থাকা গ্লিসারিন বেছে নেওয়া ভালো। ত্বক আরও শুষ্ক হলে বা জ্বালাপোড়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, শুষ্ক ত্বকে গ্লিসারিনযুক্ত ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পর প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প ভ্যাসলিন ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বকে আর্দ্রতা যোগ করার পাশাপাশি তা ধরে রাখতেও সাহায্য করে। তবে সবার ত্বক এক রকম নয়—তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ ত্বকে হালকা, সুগন্ধিমুক্ত ও নন-কমেডোজেনিক ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া ভালো।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি