প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৩ AM

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি, আবাসন সংকট ও সরকারি সেবার অবনতির প্রতিবাদে ইউরোপের চার দেশ—ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো মানুষ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিভিন্ন শহরে আয়োজিত এসব কর্মসূচির কয়েকটিতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে ফ্রান্সে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন; আয়োজকদের দাবি, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৮ লাখ।
ফ্রান্সের প্যারিস, মার্সেই, নিস, নঁত, বোর্দো, লিমোজ, লিল ও তুলুজসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়। কয়েকটি শহরে দোকানপাটে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। লিমোজ শহরের টাউন হলে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি স্থানে দাঙ্গা পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। বিক্ষোভকারীদের সহিংস কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের মুখোমুখি করার কথা বলেছেন।
ফ্রান্সের বাইরে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ও লিয়েজে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করা হয়। ইতালির মিলান ও বোলোনিয়ায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে জীবনযাত্রার ব্যয়, কম মজুরি ও আবাসন সংকটের প্রতিবাদে মিছিল করেন হাজারো মানুষ। দেশটিতে বাড়িভাড়া ও বাড়ির দাম বৃদ্ধিও বিক্ষোভের অন্যতম কারণ। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক চাপ ও সরকারি সেবা নিয়ে জনঅসন্তোষের চিত্র উঠে এসেছে।
স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি