বৃহস্পতিবার ● ১৫ অক্টোবর ২০২৬
   
শিরোনাম:
● কেন্দুয়ায় ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা দপ্তরির বিরুদ্ধে       ● যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন সামনে রেখে ১৩ হাজার অ্যাকাউন্ট স্থগিত করল এক্স      ● এআইকে অন্ধবিশ্বাস করতে কেন সতর্ক করলেন মাইক্রোসফট সিইও?      ● পাবনায় ১১টি থানায় নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার জব্দকৃত যানবাহন      ● আব্বাস হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি      ● পাইকগাছায় ১৫১ পূজামণ্ডপে ১০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা সহায়তা      ● একশ ছাড়াল ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সৌদিমুখী ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী      ● রায়পুর ভূমি অফিসের আত্মসাৎ করা ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা      ● আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড      ● বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন, সিদ্ধান্ত হবে বার কাউন্সিলের বৈঠকে      ● বই কেনাকাটায় পাঠকদের আগ্রহ বাড়ছে      ● সদর হাসপাতালে দুদকের অভিযান      
সরকারি হাসপাতালের ওয়াশরুমে দুরবস্থা, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
স্বদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পিএম আপডেট: ১৫.১০.২০২৬ ১২:৩০ PM

করোনাভাইরাস মহামারির সময় সংক্রমণ প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও জনবহুল এলাকায় হাত ধোয়ার যেসব ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল, তার অনেকগুলোই এখন অকার্যকর বা উধাও। অন্যদিকে, সরকারি হাসপাতালের ওয়াশরুমগুলোতে অপরিচ্ছন্নতা, পানির সংকট ও সাবান না থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ভোগান্তির পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘বি এ হ্যান্ডওয়াশিং হিরো!’ বা ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন!’। দিবসটি সামনে রেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাত ধোয়ার স্থায়ী ব্যবস্থা, সাবান-পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং নিয়মিত তদারকির প্রয়োজনীয়তা নতুন করে সামনে এসেছে।

সরকারি হাসপাতালের ওয়াশরুমে দুরবস্থা
রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, শত শত রোগী ও তাঁদের স্বজনের তুলনায় ওয়াশরুমের সংখ্যা কম। সেখানে পুরুষদের ব্যবহারের জন্য মাত্র তিনটি ওয়াশরুম রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশরুমগুলোর পরিবেশ নোংরা, বেশির ভাগ টয়লেটের ফ্লাশ নষ্ট এবং কোথাও সাবান, হ্যান্ডওয়াশ বা টিস্যু নেই। কোনো কোনো স্থানে পানি ব্যবহারের ট্যাপ কিংবা বদনাও পাওয়া যায়নি।
ওই হাসপাতালে বাবাকে নিয়ে তিন দিন ধরে যাতায়াত করছিলেন রোগীর স্বজন মিজানুর রহমান। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘সরকারি হাসপাতাল, তাই বলে অন্তত ব্যবহার উপযোগী তো রাখতে হবে। মনে হচ্ছে গত ১০ দিনেও পরিষ্কার করা হয়নি। এত বাজে অবস্থা।’
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়াশরুমের অবস্থাও একই রকম বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে রোগীর স্বজনদের অনেকে ওয়াশরুম ব্যবহার না করে বিকল্প জায়গা খুঁজছিলেন।
রোগীর স্বজন সাব্বির মাহমুদ বলেন, ‘এত বড় হাসপাতাল, অথচ এখানকার টয়লেট ও ওয়াশরুমগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই যে ভাগাড়ে এসেছি নাকি হাসপাতালে। এখানে এলে তো সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বেন! সাবান-হ্যান্ডওয়াশ তো দূরের কথা, টিস্যু পর্যন্ত নেই।’
একই হাসপাতালের আরেক রোগী আঞ্জুমান আরা ওয়াশরুম থেকে নাকে কাপড় দিয়ে বের হন। তাঁর ভাষ্য, কিডনি ও ইউরোলজির রোগীদের ঘন ঘন ওয়াশরুমে যেতে হয়। অথচ সেগুলো ব্যবহার করার মতো পরিচ্ছন্ন নয়।

মহামারির সময়ের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা উধাও
২০২০ সালে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। স্কুল-কলেজ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কাঁচাবাজার, বাস ও ট্রেন টার্মিনাল এবং আবাসিক ভবনের প্রবেশমুখে বেসিন, পানির ট্যাংক ও হাত ধোয়ার স্টেশন স্থাপন করা হয়। ঢাকা ওয়াসাও রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পানির ট্যাংক বসিয়েছিল।
সুইডিশ দূতাবাস ও ঢাকা ওয়াসার যৌথ উদ্যোগে ‘হ্যান্ড ওয়াশিং অন হুইলস’ কর্মসূচিও চালু হয়েছিল। এর আওতায় হাত ধোয়ার সুবিধাসম্পন্ন ১০টি ভ্যান ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াত এবং ওয়াসা বিনামূল্যে পানি সরবরাহ করত।
তবে সময়ের ব্যবধানে এসব উদ্যোগের অনেকটাই হারিয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে স্থাপন করা পানির ট্যাংকের বেশির ভাগই এখন আর নেই। যেখানে কোনো কোনো ট্যাংক বা বেসিন এখনো রয়েছে, সেখানেও পানির সরবরাহ নেই। কিছু বেসিন নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, কোথাও জমেছে ময়লা-আবর্জনা।
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের মূল লক্ষ্য হলো পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র এবং সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। তবে শুধু সচেতনতামূলক প্রচার নয়, হাত ধোয়ার সুবিধাগুলো সচল রাখা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাও জরুরি।

প্রায় অর্ধেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই মৌলিক সুবিধা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের ‘ওয়াশ ইন এডুকেশনাল অ্যান্ড হেলথকেয়ার ফ্যাসিলিটিজ সার্ভে ২০২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মাত্র ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাত ধোয়ার মৌলিক সুবিধা রয়েছে। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এ সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। জরিপে আরও দেখা গেছে, মাত্র ১১ দশমিক ১ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি খাতে নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ রয়েছে।
জরিপ অনুযায়ী, দেশের ৯৫ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উন্নত পানির উৎস থাকলেও প্রতিষ্ঠানের ভেতরে পানির সুবিধা রয়েছে ৮৬ দশমিক ১ শতাংশে। প্রতিবন্ধীবান্ধব উন্নত পানির পয়েন্ট রয়েছে মাত্র ৫৫ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
নিয়মিত বাজেট না থাকলে বেসিনের ট্যাপ নষ্ট হওয়া, পানির পাইপে সমস্যা কিংবা সাবান শেষ হয়ে যাওয়ার মতো ছোটখাটো সমস্যাও দীর্ঘদিন অমীমাংসিত থেকে যায়।
তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে বরাদ্দের নজির রয়েছে। চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১২ হাজার ৫১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩ হাজার ৪১২টি ওয়াশ ব্লক রক্ষণাবেক্ষণে ২৩ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ ছাড়ের তথ্য পাওয়া যায়। প্রতিটি ওয়াশ ব্লকের জন্য বরাদ্দ ছিল ১০ হাজার টাকা।
কিন্তু কোন বিদ্যালয়ে কতটুকু কাজ হয়েছে, কতটি ওয়াশ ব্লক সচল আছে এবং কতগুলো মেরামত প্রয়োজন—এসব বিষয়ে হালনাগাদ ও সমন্বিত তথ্য এবং অর্থ ব্যয়ের কার্যকারিতা মূল্যায়নের চিত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাত না ধোয়ার কারণে বাড়তে পারে সংক্রমণের ঝুঁকি
দূষিত হাতের মাধ্যমে জীবাণু খাবার, পানি ও মুখে প্রবেশ করতে পারে। এতে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ে। শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া থেকে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা গুরুতর হলে প্রাণঘাতীও হতে পারে।
বিবিএস ও ইউনিসেফের ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস) ২০২৫’-এর তথ্য অনুযায়ী, জরিপের আগের দুই সপ্তাহে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৭ দশমিক ১ শতাংশ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। শহরাঞ্চলে এ হার ৬ দশমিক ৬ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। বিভাগভেদে চট্টগ্রামে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ এবং বরিশালে ৯ দশমিক ২ শতাংশ শিশুর ডায়রিয়ার তথ্য পাওয়া যায়।
তবে এসব শিশুর অসুস্থতার সব ঘটনা শুধু হাত না ধোয়ার কারণে হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। দূষিত পানি, অনিরাপদ খাবার, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশনসহ নানা কারণ ডায়রিয়ার জন্য দায়ী। সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়া এসব সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর অন্যতম কার্যকর উপায়।
একই জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৮ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের বাসস্থানে পানি ও সাবানসহ হাত ধোয়ার সুবিধা রয়েছে। শহরাঞ্চলে এ হার ৭৬ দশমিক ৬ শতাংশ হলেও গ্রামাঞ্চলে ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ বাড়িতেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত হয়নি।

নিয়মিত বরাদ্দ ও তদারকির ওপর গুরুত্ব
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ওয়াশ সেক্টরের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মো. শাহীন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘শুধু হাত ধোয়ার গুরুত্ব প্রচার নয়, বরং মানুষ যাতে বাস্তবে হাত ধুতে পারে, সেই সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেসিন-ট্যাপ সচল রাখা, নিরাপদ পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, সাবান কেনার নিয়মিত অর্থের সংস্থান এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নির্ধারণ—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, সরকারি বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার এবং শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি জরুরি। করোনাভাইরাস মহামারি হাত ধোয়ার গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলেও সেই শিক্ষা শুধু জরুরি পরিস্থিতিতে সীমাবদ্ধ থাকলে অবকাঠামো নির্মাণের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা, অতিরিক্ত দায়িত্ব) এহতেশামুল রাসেল খান আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া তথ্য দিতে রাজি হননি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। ঢাকা ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) এ কে এম ফজলুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় শুধু হাত ধোয়ার সচেতনতামূলক প্রচার চালালেই হবে না। হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত বেসিন, নিরাপদ পানি ও সাবানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিত বাজেট, দায়িত্ব নির্ধারণ এবং কার্যকর তদারকি গড়ে তুলতে হবে।







স্বদেশ প্রতিদিন/এস পি


আরও সংবাদ   বিষয়:  হাসপাতালের ওয়াশরুম   হাত ধোয়া   বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস   জনস্বাস্থ্য   পানি ও স্যানিটেশন   সরকারি হাসপাতাল   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   ইউনিসেফ   বিবিএস   স্বাস্থ্যবিধি   ডায়রিয়া প্রতিরোধ  






Loading...
Loading...
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close
অনুসরণ করুন
     
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড -এর পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক সিটি পাবলিশিং লি, আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : [email protected], [email protected]
🔝
close