শনিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৩ ১৪ মাঘ ১৪২৯

৮ বছর ধরে পরিত্যক্ত বিদ্যালয়, ধ্বংস হচ্ছে সরকারি সম্পদ
বাউফল প্রতিনিধি:
প্রকাশ: সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২২, ৫:০৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

৮ বছর ধরে পরিত্যক্ত বিদ্যালয়, ধ্বংস হচ্ছে সরকারি সম্পদ

৮ বছর ধরে পরিত্যক্ত বিদ্যালয়, ধ্বংস হচ্ছে সরকারি সম্পদ

পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরিপাশা মুন্সী হাচান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন প্রায় ৮বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগের অভাবে এ ভবন নিলামে বিক্রি হচ্ছে না। ফলে ধীরে ধীরে সরকারি সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে।

জানা যায়, ভবনটি দীর্ঘ ৮বছর যাবৎ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। নতুন ভবনে চলে শিক্ষা কার্যক্রম। রহস্যজনক কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভবনটি নিলামের জন্য কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। দীর্ঘদিন অবহেলায় অযত্নে পড়ে থাকায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সরকারি সম্পদ। 

ভবনের দরজা-জানালা কিছুই নেই। চুরি হয়ে যাচ্ছে লোহার বেঞ্চ, টেবিল, চেয়ার ও জানালার লোহার গ্রিল। 

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য জানান, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির দায়িত্বহীনতার জন্য সরকারি সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। প্রায়ই ঘটছে চুরির ঘটনা। শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।

এবিষয়ে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসে জানানো হয়েছে। আর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুজন হাওলাদার বলেন,‘ উপজেলা নিলাম কমিটিকে জানিয়ে ভবনটি নিলামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল-আমিন বলেন, ‘সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। এবিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্বদেশপ্রতিদিন/এমএস  

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: +৮৮০২-৮৮৩২৬৮৪-৬, মোবাইল: ০১৪০৪-৪৯৯৭৭২। ই-মেইল : e-mail: swadeshnewsbd24@gmail.com, info@swadeshpratidin.com
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।