শুক্রবার ৯ ডিসেম্বর ২০২২ ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

আ.লীগ নেতার মানবেতর জীবন যাপন
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:২৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আ.লীগ নেতার মানবেতর জীবন যাপন

আ.লীগ নেতার মানবেতর জীবন যাপন

পটুয়াখালী মির্জাগঞ্জ উপজেলা মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন এখন করছেন মানবতার জীবনযাপন। 

২০০১ সালে নির্বাচন পরবর্তী কালীন সময় মারধরে মেরুদণ্ডের হাড্ডি ভেঙে যায়, উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনি অর্থের অভাবে, কোনভাবে ছোট একটা চায়ের দোকান খুলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি। অথচ ১৪ বছর দল ক্ষমতায় থাকলেও তার খোঁজ নেয়নি কেউ।

জানা যায়, ২০০১ সালে বিএনপি জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের উপর অত্যচার নির্যাতন শুরু করে। ওই সময় এই আওয়ামী লীগ নেতা আলমগীর হোসেন ছিলেন মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি  তাকে পিপড়াখালী বাজারে বসে বেদম মারধর করে মেরদন্ডের হাড্ডি ভেঙে পায়রা নদীতে ফেলে দিলে তার  চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে নদী থেকে তুলে তাকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। ভর্তির বিষয়টি বিএনপির নেতারা জানার পর হাসপাতালে চাপ সৃষ্টি করে তার নাম কেটে দেন। পরে আলমগীর এর পিতা ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করে।

বাড়ির একমাত্র ভিটি ছাড়া জমা জমি সব বিক্রি করে চিকিৎসা করে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও কোন কাজ কর্ম করতে পারেনা। ছোট একটি চায়ের দোকান দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে।

 ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, যে দল ক্ষমতায় আসার পর কোন নেতা খোঁজ খবর নেয়নি। আমার মেরুদণ্ড ভেঙে যাওয়ায় টাকার অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেনি। এখন আমার এই ছোট চায়ের দোকান দিয়ে কোন মতে বেচে আছি। আমার এক ছেলে এইচএসসি ২য় বর্ষে ও মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। ডাক্তার এখন মেরুদণ্ড অপারেশন করতে বলে, কিন্তু অর্থের অভাবে অপারেশন করতে পারি না। আমার অপরাধ ছিল জন্মসূত্রে আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। অথচ দল ক্ষমতায় প্রায় ১৪ বছর কোন নেতারা এসে আমার চিকিৎসার খবর নেয়নি। অনেক নেতারই ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। পরিবর্তন হয়নি নির্যাতিত কর্মীদের।

এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফোরকান হাওলাদার বলেন, ২০০১ সালে আলমগীর হোসেনকে মারধর করে মেরুদণ্ড ভেঙে নদীতে ফেলে দেয়। যতটুকু পারি তাকে সহযোগিতা করি। তবে এখন তার মেরুদণ্ড অপারেশন করতে বলে ডাক্তার। এটা তো ব্যায়বহুল। তার পর ও চেষ্টা করতে আছে ওকে চিকিৎসা করাবার জন্য। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন জুয়েল বেপারি বলেন,  আলমগীর একজন ত্যাগী নেতা। বিএনপির সময়ে নির্যাতনের স্বীকার হয়ে এখন অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছে।

স্বদেশপ্রতিদিন/ইমরান

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: +৮৮০২-৮৮৩২৬৮৪-৬, মোবাইল: ০১৪০৪-৪৯৯৭৭২। ই-মেইল : e-mail: swadeshnewsbd24@gmail.com, info@swadeshpratidin.com
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।