রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১ আশ্বিন ১৪২৮

মাধবদীতে জমেছে কোরবানির হাট লোক বেশি ক্রেতা কম
হুমায়ুন মিয়া, নরসিংদী :
প্রকাশ: রোববার, ১৮ জুলাই, ২০২১, ৮:৪০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

গরুর হাট

গরুর হাট

ঈদ সামনে রেখে সরকার লকডাউন শিথিল করেছে। তাই কোরবানিকে সামনে রেখে বসছে হাট। মাধবদী থানার পাইকারচর ইউনিয়নের বালাপুর নবিন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসে অস্থায়ী গরুর হাট। 

রোববার (১৮ জুলাই) এ হাটে কোরবানির গোরু দূর-দূরান্ত থেকে বিক্রেতারা নিয়ে আসেন। 

গরু বিক্রেতা কামাল হোসেন বলেন, লকডাউন এর জন্য বাজার মন্দা যাচ্ছে। গরু বেশি ক্রেতা কম। আমি এ হাটে পাঁচটি গরু আনছি। আশা করছি বিক্রি করতে পারবো। 

আরেক গরু বিক্রেতা সোলমান বলেন, আমি তিনটি গরু আনছি। আমি যত্ন করে গরু গুলো পালছি। এখন সঠিক দাম না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবো। 

গরু ক্রয় করতে আসা কালাম প্রধান বলেন, আমি মাধবদী থেকে বালাপুর হাটে এসে সত্তুর হাজার টাকা দিয়ে একটি দেশি ষাঁড় গরু কিনলাম। হাট ভালোই জমেছে। 

হাটে আসা অধিকাংশ লোকই মাস্ক পড়েনি। যদিও হাট কমিটির পক্ষে মাইকিং করে মাস্ক পড়তে অনুরোধ করা হয়। 

গরু হাট দেখতে আসা জামানকে প্রশ্ন করা হয় আপনি মাস্ক পড়েননি কেন (?) জবাবে তিনি বলেন -মাস্ক পড়া ভালো কিন্তু মাস্ক পড়লে আমার শ্বাস বন্ধ হওয়ার মতো লাগে। তবে এখন থেকে পড়বো। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাইকারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বালাপুর নবিন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আবুল হাশেম বলেন- এবারের হাটে গরু আসলেও এখন পর্যন্ত বেচা-কেনা কম। পাশের ইউনিয়ন নুরালাপুর ও হাট বসাতে আমরা আশানুরূপ ফল পাবো কিনা সন্দেহ। 

তবে গরুর হাটে অভিভাবকদের সাথে আসা শিশুদের মাঝেই ছিল ঈদের প্রকৃত আনন্দ!

স্বদেশ প্রতিদিন/এস

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: +৮৮০২-৮৮৩২৬৮৪-৬। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।