রোববার ১৩ জুন ২০২১ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

ক্যাসিনো সাঈদ ও তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন ওরফে ক্যাসিনো জামালসহ চার জনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশ: বুধবার, ৯ জুন, ২০২১, ৭:৪২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ক্যাসিনো সাঈদ ও তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন ওরফে ক্যাসিনো জামালসহ চার জনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা

ক্যাসিনো সাঈদ ও তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন ওরফে ক্যাসিনো জামালসহ চার জনের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা


চলমান সন্ত্রাস, মাদক-ক্যাসিনো, জবরদখল ও টেন্ডারবাজবিরোধী শুদ্ধি অভিযানে সবশেষ গ্রেফতার হয়ে ছিলেন মোহাম্মদপুরের আলোচিত কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান। দেশ ছেড়ে পালানোর সময় পাগলা মিজান গ্রেফতার হন শ্রীমঙ্গলে। এর পর উল্লেখযোগ্য কেউ গ্রেফতার হননি। আলোচনা আছে ঢাকায় ক্যাসিনো সম্রাটের (ইসমাইল হোসেন সম্রাট) অন্যতম সহযোগী কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ ওরফে ক্যাসিনো সাঈদ ও তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল সহ আর-ও চার জনের পালা এবার। 

শুদ্ধি অভিযান শুরু হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে পালিয়ে গেলেও তাকে ও তার সহযোগীদের এবার ধরা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন। এবং এদের বিরুদ্ধে অর্গানাইজড ক্রাইম (ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম) সিআইড’র উপ-পরিদর্শক, মোঃ সোহানূর রহমান, গত ৩০/০৫/২০২১ তারিখ, সময়,১০,২০, ঘটিকায় থানায় আন্ত হইয়া মতিঝিল থানায় মামলার নং -(২২)তারিখ ৩০/০৫/২০২১ ইং ধারা মানি ল্যারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ সংশোধন ২০১৫),এ-র ৪(২)রুজু করা হয়। ঢাকায় ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় সাঈদের গুরু যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট তার অন্যতম সহযোগী এনামুল হক আরমানসহ এরই মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। 

ক্যাসিনোকাণ্ডে এ পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা জিকে শামীম, কৃষক লীগ নেতা শফিকুল আলম, মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, গেণ্ডারিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু, রুপম ভূঁইয়া এবং অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সেলিম প্রধান। দুবাইয়ে গ্রেফতার হয়েছেন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ। এ পর্যন্ত ১০ জনের বেশি ক্যাসিনো হোতা আটক হলেও অধরা রয়ে গেছেন,(১) ৯নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ (২) তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল(৩)মোঃ আছাদ শাহ্ চৌধুরী, (৪) মোঃ ছালাউদ্দিন, এরা চার’জন ক্যাসিনো সম্রাটের ক্যাসিনো ব্যবসার দেখভাল করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে সাঈদ অভিযান শুরুর পর থেকে সিঙ্গাপুরে পলাতক। এবং তার সহযোগী হাসান উদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল, আছাদ শাহ্ চৌধুরী ও ছালাউদ্দিন, এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। সাঈদ ক্যাসিনো ব্যবসায় সম্রাটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত।

রাজধানীতে মাদক ও ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হওয়ার পর গা ঢাকা দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মমিনু হক সাঈদ ও তাঁর সহযোগী হাসান উদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল ও আছাদ শাহ্ চৌধুরী এবং ছালাউদ্দিন, সাঈদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের (ক্যাসিনো সম্রাট) শিষ্য তারা। ঢাকায় সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা দেখভাল করেন তারা। 

এ কারণে মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় ক্লাবগুলোতে যাতায়াতকারীদের কাছে তারা ক্যাসিনো সাঈদ ক্যাসিনো জামাল ক্যাসিনো আছাদ শাহ্ চৌধুরী ও ক্যাসিনো ছালাউদ্দিন নামে পরিচিত। বর্তমানে তারা ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। এলাকাবাসির জোর দাবি, এদের কে অবলম্বে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রধান করা হউক। স্থানীয়রা জানান, মমিনুল হক সাঈদকে সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর বানানোর পেছনে রয়েছেন যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাট। সম্রাটকে ম্যানেজ করেই তিনি কাউন্সিলর প্রার্থী হন। অন্য দলের যারা প্রার্থী ছিলেন তাদের বেশিরভাগকেই অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বাধ্য করেন। নিজ দলের যারা প্রার্থী ছিলেন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানো হয় টাকার বিনিময়ে। কাউন্সিলর হওয়ার পর সাঈদের দৌরাত্ম্য আরও বেড়ে যায়। 

জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ভবন দখল করে গড়ে তোলেন টর্চার সেল। তার হুকুম কেউ তামিল না করলেই টর্চার সেলে এনে নিপীড়ন করা হয়। কাউন্সিলর হয়ে সম্রাটের এজেন্ডা বাস্তবায়ন শুরু করেন সাঈদ ও হাসানউদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল এবং তাদের সহযোগী আছাদ ছালাউদ্দিন। সম্রাটের ঢাকার ক্যাসিনোগুলো দেখভালের দায়িত্ব ছিল তারা। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় মোহামেডান, আরামবাগ, দিলকুশা, ওয়ান্ডারার্স, ভিক্টোরিয়া ও ফকিরেরপুল ইয়াংমেনস ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনোর ছড়াছড়ি। এর মধ্যে ইয়াংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সম্রাটের শিষ্য খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। 

বাকি পাঁচটি ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন সম্রাটের লোকজন। সম্রাটের ক্যাসিনোর দেখাশোনা করতেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক ওরফে সাঈদ। তারা এক বছর আগে পল্টনের প্রীতম–জামান টাওয়ারে ক্যাসিনো চালু করেছিলেন। অভিযান শুরু হওয়ার পর মমিনুল সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমান। গত ২৩ জুন বিনা অনুমতিতে মমিনুল হকের বিদেশ ভ্রমণ আটকাতে পুলিশের বিশেষ শাখার বিশেষ পুলিশ সুপারকে চিঠি দেয় ডিএসসিসি। অথচ কিছু দিন আগেও তিনি আবার বিনা অনুমতিতে সিঙ্গাপুরে গেছেন বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসির সচিব মোস্তফা কামাল মজুমদার। ক্যাসিনো সাঈদের সেকেন্ড-ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করতে থাকেন জামাল। জামালের মাধ্যমেই আরামবাগ ক্লাব, দিলকুশা ক্লাব, ভিক্টোরিয়া ক্লাবে ক্যাসিনো-জুয়ার আসর বসাতেন সাঈদ। এ ছাড়া বিআইডব্লিউটিএ ভবনে টেন্ডারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে জামালের পাশাপাশি কামরুল হাসান রিপন ছিল সাঈদের অংশীদার।
সাঈদের বিরুদ্ধে ক্যাসিনোবাণিজ্যের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির অভিযোগও আছে। প্রভাব খাটিয়ে বনে গেছেন বিভিন্ন ক্লাবের নেতা।
এদিকে রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনায় সিদ্ধহস্ত হিসেবে ‘খ্যাতি’ রয়েছে পাঁচজনের। ক্লাবগুলোতে রাতবিরাতে যাতায়াতকারীদের কাছে এই পাঁচজন ‘ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডব’ কিংবা ‘ক্যাসিনো গুরু’ হিসেবে পরিচিত। আবার অনেকে তাদের ‘ক্যাসিনো মোগল’ হিসেবেও চেনেন।
এই পাঁচজন হলেন- যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতি এনামুল হক আরমান, মহানগরের প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা জিকে শামীম এবং যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ।

এদের মধ্যে প্রথম চারজন এরই মধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের দল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে। ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে চারজন এখনও অধরা। তারা হলেন- মমিনুল হক সাঈদ ওরফে ক্যাসিনো সাঈদ, হাসান উদ্দিন জামাল ওরফে ক্যাসিনো জামাল ও আছাদ ছালাউদ্দিন তারা এখন লাপাত্তা। বিদেশে নিরাপদে আছেন সাঈদ ও দেশে বসবাস করছেন তিন’জন। এবার তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

ক্যাসিনোকাণ্ডে এ পর্যন্ত ধরা পড়েছেন আরও কয়েকজন দুর্র্ধষ জুয়াড়ি। তারা হলেন- দেশের অনলাইন ক্যাসিনোর মূলহোতা সেলিম প্রধান, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান ভূঁইয়া এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ।

এদের সঙ্গেও ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের কোনো না কোনো যোগসাজশ পাওয়া গেছে। যেমন লোকমান ভূঁইয়অ গ্রেফতারের পর স্বীকারোক্তিতে বলেছেন, তার ক্যাসিনো আয়ের ভাগ পেতেন ক্যাসিনো সাঈদ। তাকে প্রতিমাসে মাসোয়ারা দিতে হতো তাকে।

আবার জিসান আহমেদের অবৈধ আয়ের জোগানদাতা ছিলেন সম্রাট, জিকে শামীম ও খালেদ। একপর্যায়ে প্রভাব বিস্তার ও অন্যান্য কারণে জিকে শামীম ও খালেদের সঙ্গে বিরোধ হয় জিসানের। এই দুজনকে মারতে লোক ভাড়া করেন দুবাই অবস্থান করা জিসান। অনলাইন ক্যাসিনোর মূলহোতা সেলিম প্রধানের সঙ্গেও অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসায় যোগসাজশ ছিল ওই পঞ্চপাণ্ডবের।

ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে আরও অনেক মিল রয়েছে। তাদের মধ্যে চারজন ক্যাসিনো সম্রাট, খালেদ, আরমান ও সাঈদ একই কমিটির নেতা। তারা প্রত্যেকেই যুবলীগের শীর্ষ নেতার আশীর্বাদপুষ্ট। তারা মিলেমিশে ঢাকায় ক্যাসিনো ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। জিকে শামীম তাদের শক্তি ব্যবহার করে টেন্ডারবাজি করে বেড়াতেন।

ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের মধ্যে অমিল হচ্ছে- পাঁচজনের মধ্যে চারজন গ্রেফতার হয়েছেন, পদ হারিয়েছেন। কিন্তু ক্যাসিনো সাঈদ এখনও অধরা, স্বপদে বহাল।
এর পর গণমাধ্যমে যুবলীগ নেতাদের সংশ্লিষ্টতায় ঢাকার ৬০টি জায়গায় ক্যাসিনো পরিচালনার খবর প্রকাশ হয়। ১৮ নভেম্বর ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস, ওয়ান্ডারার্স এবং গুলিস্তানে মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া সংসদে অভিযান চালিয়ে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম, বিপুল পরিমাণ মদ ও ৪০ লাখের বেশি টাকা উদ্ধার করা হয়। ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে ওই দিনই যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর ধানমণ্ডির কলাবাগান ক্রীড়াচক্রে অভিযান চালিয়েও ক্যাসিনো চালানোর প্রমাণ পাওয়া যায় । অস্ত্র-গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয় ক্লাবের সভাপতি কৃষক লীগের সহসভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজকে।

এর মধ্যে যুবলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে ঠিকাদারি করা গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় মোহামেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ ও বিসিবির পরিচালক লোকমান ভূঁইয়াকে।

দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানকে। পরে গ্রেফতার করা হয়েছে ক্যাসিনো সম্রাট যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানকে ‘শুদ্ধি অভিযান’ নাম দিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সন্ত্রাস, চাঁদবাজি, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের ভাসানচরে পাঠানো হবে।

উল্লেখঃ ঢাকার শীর্ষ ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগই এখন আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর জালে। বাইরে আছেন শুধুই ক্যাসিনো সাঈদ। এবার কি তাহলে তাদের পালা? 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।