বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১ ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

শিমুলিয়া পাটুরিয়ায় মানুষের ঢল
শত বাধা পেরিয়ে ছুটছে ঘরমুখো মানুষ
৩ হাজার যাত্রী নিয়ে ছাড়ে ফেরি যমুনা
এম উমর ফারুক
প্রকাশ: সোমবার, ১০ মে, ২০২১, ৮:৪৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সংগৃহীত ছবি।

সংগৃহীত ছবি।

করোনার ভারতীয় শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দেশের স্বাস্থ্য খ্যাত। সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার দিয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। সেই বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে গ্রামে ছুটছে মানুষ। পথে ঘাটে শত বাধা পেরিয়ে শিমুলিয়া পাটুরিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। ঢাকার গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাট উথলী পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হলেও যাত্রীদের ঈদে বাড়ি যাওয়া বন্ধ করা যাচ্ছে না। তারা ঢাকা থেকে বিভিন্ন বাইপাস রোডে সিএনজি, অটোবিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে করে পাটুরিয়া আরিচা ঘাটে যায়। এদিকে, জনসমাগম বাড়লে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ফের লাগামছাড়া হতে পারে- বিশেষজ্ঞদের এই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে নগরীর শপিংমল, ফুটপাতগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর মিরপুর ১০, ২ ও ১ নম্বরের শপিংমল ও রাস্তা সংলগ্ন ফুটপাতগুলোতে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত কেনাকাটা লক্ষ্য করা গেছে।

গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রজনীগন্ধ্যা ও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাপলা শালুক নামের দুইটি ফেরি পাটুরিয়া ঘাট থেকে কয়েকটি প্রাইভেটকার ও যাত্রীদেরকে নিয়ে দৌলতদিয়া উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফেরিতে শুধু ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষ আর মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফেরির বিভিন্ন স্থনে দাড়িয়ে যায় তারা। ঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও যাত্রীরা ফেরিতে গাদাগাদি করে বাড়ি যাচ্ছেন। দূর পাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও ঈদে বাড়ি যাওয়া বন্ধ হচ্ছে না। 

৪ ফেরিতে মানুষ ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার: করোনা সংক্রমণরোধে নিজ নিজ অবস্থানে থাকার সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করে বাড়ি ফিরছে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। এ অবস্থায় পাটুরিয়া ফেরিঘাটে ঈদে বাড়িফেরা মানুষের ঢল নেমেছে। গত কয়েকদিন ধরে ঘাটে মানুষের ভিড় থাকলেও গতকাল সোমবার তা আরও বেড়েছে। সকাল থেকেই নারীর টানে ঘরে ফেরা মানুষের গাদাগাদি ভিড়ে বাড়তে থাকে। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে যাত্রীরা ঢেউয়ের মতো এসে ফেরিঘাটে যেন আছড়ে পড়ছেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে যাত্রীদের চাপ।

এদিকে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে ও যাত্রী পারাপাররোধে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও হাজার হাজার যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে রজনী গন্ধ্যা, বনলতা, শাপলা শালুকসহ চারটি ফেরি দিয়ে দুই আড়াই ঘণ্টা পর পর পারাপারের কাজ চলছে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রজনীগন্ধ্যা ও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শাপলা-শালুক নামের দুটি ফেরি পাটুরিয়া ঘাট থেকে কয়েকটি প্রাইভেটকার ও যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ফেরিতে শুধু ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষ আর মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফেরির বিভিন্ন স্থনে দাঁড়িয়ে, ধরে ও বসে যাচ্ছেন তারা। ঘাটে অরিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হলেও যাত্রীদের ফেরিতে গাদাগাদি করে বাড়ি ফেরা ঠেকানো যাচ্ছে না।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অফিসের ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা হলেও, লাশবাহী ও অ্যাম্বুলেন্সসহ কিছু ছোট গাড়ি পারাপার করা হয়। তবে দুই আড়াই ঘণ্টা পরপর রজনী গন্ধ্যা, বনলতাসহ ছোট চারটি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটে ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। যাত্রীরা ঘাটে এসেই ফেরিতে উঠে পড়ছেন। কোনও বাধা নিষেধ মানছেন না। তাদের কারণে অ্যাম্বুলেন্স ও লাশের গাড়ি ফেরিতে উঠতে পারছে না।

শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, যাত্রীরা কোনও বাধা-নিষেধ মানছেন না। ঢাকা থেকে নদীর স্রোতের মতো ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা ঘাটে এসে ভিড় করছেন। তবে অন্যান্য দিনের চেয়ে সোমবার সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ বাড়ছে বলে জানান তিনি।

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে ছাড়ে ফেরি যমুনা: সব বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে দক্ষিণবঙ্গগামী মানুষের উপচেপড়া ভিড় এখন মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। গতকাল সোমবার ভোরের আলো ফুটতেই মানুষের ঢল নেমেছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে। জনস্রোত সামলাতে প্রশাসনের কোনো চেষ্টাই কাজে আসছে না। এ অবস্থায় ৩ হাজার যাত্রী এবং দুইটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে সকাল ১০টার দিকে ২ নম্বর ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে ফেরি যমুনা। এর আগে, মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘরমুখো মানুষের স্রোত রোধ করতে ঘাটের প্রবেশ মুখে গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। যাত্রীরা সেই ব্যারিকেড উপেক্ষা করে এক কিলোমিটার পথ হেঁটে ঘাটে জমা হয়। এ সময় তারা ঘাটে দাঁড়িয়ে ফেরি ছাড়তে হবে বলে স্লোগান দেয়।

এদিকে ফেরিঘাট দিয়ে পার হতে না পেরে ঘাটের পাশের কনকসার এলাকাসহ আশপাশের এলাকা থেকে ট্রলারে করেও নদী পার হচ্ছে মানুষ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবৈধভাবে পারাপারের কারণে ৬টি ট্রলার জব্দ করেছে নৌপুলিশ।
শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) হিলাল উদ্দিন বলেন, বিপুল যাত্রীর চাপে কোনো পরিকল্পনাই ঠিক রাখা যাচ্ছে না। কোনোভাবে ঠেকানো যাচ্ছে না জনস্রোত। তিনি জানান, ঘাট এলাকায় পারাপারের জন্য এখনও অপেক্ষমাণ কয়েকশ যানবাহন।

এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, সকালে যাত্রীদের চাপ বাড়ে শিমুলিয়া ঘাটে। সকালে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স এবং কয়েক হাজার যাত্রী নিয়ে একটি ড্যাম ফেরি বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। ঘাট এলাকায় এখনও কয়েক হাজার যাত্রী অপেক্ষামান।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৮০২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ৭৭৯ আর ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ২৩টি। যা অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ। এতে গত রোববার ভোর ৬টা থেকে গতকাল সোমবার ভোর ৬টা পর্যন্ত মোট টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ২৭ হাজার ৬৩০ টাকা। বঙ্গবন্ধু পূর্ব সেতু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম ও সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, এই সেতু দিয়ে পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন, ট্রাক, পিকআপভ্যান, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত যানবাহন ছাড়াও বিপুল সংখ্যক যাত্রীবাহী বাস সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে। যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ।

অপরদিকে, গতকাল সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গমুখী সড়কে বেড়েছে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে যানবাহন বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে কোথাও কোথাও যানজট দেখা দিচ্ছে। থেমে থেমে চলছে গাড়ি। সরকারি ‘বিধিনিষেধে’ দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় মালবাহী ট্রাকসহ খোলা ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে গাদাগাদি করে বাড়িতে ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি নিয়েই বাড়ি ফিরছেন তারা।

বঙ্গবন্ধু পূর্ব সেতু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েকদিন যাবত এ মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তবে এখনো স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে।

মার্কেট-ফুটপাতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়: ঈদ আনন্দ উদযাপনের জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। কেউ কিনছেন নিজের জন্য আবার কেউবা আত্মীয়-স্বজন বা প্রিয়জনের জন্য। একাধিক দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ সময়ে ঈদ বাজার জমে ওঠায় তারা খুশি। গত বছর ঈদে করোনা ও লকডাউনের জন্য দোকান পুরোপুরি বন্ধ থাকায় যে লস হয়েছিল এবার কিছুটা কমেছে। করোনার প্রভাব বাড়ার পর আবার কিছুটা কমে আসায় ও গণপরিবহন খুলে দেওয়ায় আশানুরূপ বেচা-কেনা করতে পারছেন বিক্রেতারা।

মিরপুর ১০ নম্বর শাহ আলী মার্কেটের সামনে ও আইডিয়াল স্কুলের সামনের ফুটপাত প্রচুর ক্রেতাসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতা সামলাতে বিক্রেতাদের হিমশিম খেতে দেখা যায়। জুতা বিক্রেতা আবুল হাশেম বলেন, বেচা-কেনা ভালো হচ্ছে। বাস খুলে দেওয়ার পর বিক্রি বেড়েছে। গোডাউনে দুই লাখ টাকার মাল পড়ে আছে, বিক্রি এমন থাকলে ঈদের আগে গোডাউনের মাল বিক্রি করতে পারবো। ক্রেতারা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তারা কেনাকাটা করছেন। গৃহিণী শারমিন বলেন, এবার সীমিত আকারে ঈদ হবে। পরিবারের জন্য টুকিটাকি কিনতে আসলাম। সবাই মাস্ক পরছে, এটা ভালো লাগছে। বেচা- কেনা ভালো হওয়ায় পছন্দ ও সাইজ অনুযায়ী জামাকাপড় দিতে পারছেন না বিক্রেতারা। ফ্যাশন হাউজ অঞ্জনসের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, এবার ৪০ থেকে ৪৫টি নতুন পাঞ্জাবির ডিজাইন এসেছে। যার বেশিরভাগেরই স্টক শেষ। কাউকে সাইজ দিতে পারছি না, আবার কাউকে পছন্দসই পণ্য দিতে পারছি না।

মাস্কেই সীমাবদ্ধ স্বাস্থ্যবিধি: মার্কেটগুলোতে প্রবেশকালে জীবাণুনাশক হাতে দেয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বেশিরভাগেরই মুখে মাস্ক আছে। তবে অনেকে এখনও মাস্ক পরছেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এড়িয়ে যাচ্ছেন তারা। মাস্ক পরার প্রবণতা বাড়লেও একেবারেই উপেক্ষিত সামাজিক দূরত্ব। প্রতিটি দোকানে দেখা যোয় প্রচুর ভিড়। ভিড় দেখে অনেকে ক্রেতাকে বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। আর বিক্রেতারা বলছেন তারা যত দ্রুত সম্ভব ক্রেতাদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছেন।

উল্টোচিত্র দেখা যায় মিরপুর শপিং কমপ্লেক্সের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায়। তৃতীয় তলায় ক্রেতার উপস্থিতি কম দেখা যায়। এনামুল হক নামের এক বিক্রেতা বলেন, লকডাউনের কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এজন্য ফুটপাতে জিনিসপত্র বিক্রি বেড়েছে। মার্কেটে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিক্রি পণ্য করতে পারছি না আমরা।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।