রোববার ১৩ জুন ২০২১ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি চলাচল বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৯ মে, ২০২১, ১০:৫৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সংগৃহীত ছবি।

সংগৃহীত ছবি।

ঘরমুখী মানুষের ঢল ঠেকাতে অবশেষে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিমুলিয়া- বাংলাবাজার নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ হলো। রোববার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, সারাদিন ফেরি বন্ধ ছিল। এখনো বন্ধ আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

এদিকে, শনিবার দিনে তিনটি ফেরি ও রোববার দিনে দুটি ফেরি শিমুলিয়া ঘাট ছেড়ে যায়। শনিবার রাতেও পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের জন্য ঘাটের সব ফেরি চলে। সে সময় জরুরি অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি হাজারো যাত্রী পদ্মা পার হয়। কিন্তু রোববার রাতে ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

লঞ্চ, স্পিডবোট আগে থেকেই বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা। তারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারে ঘাটে পৌঁছান। ঘাটের প্রবেশমুখ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে বিজিবি মোতায়েন থাকলেও বিভিন্ন পথে হেঁটে ঘাটের দিকে যাত্রীদের যেতে দেখা গেছে।

কখনো ঘাটের আশপাশের এলাকা থেকে মাছ ধরার ট্রলারে চেপে পদ্মা পাড়ি দেয়ার চেষ্টাও করেন যাত্রীরা। শিমুলিয়া ফেরিঘাট থেকে চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কান্দিরপাড়া থেকে মাছ ধরার ট্রলার দিয়ে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন ঘরমুখী মানুষ। পদ্মার ওপারে শরীয়তপুরের হাজরার চরে অনেক যাত্রীকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। সেই চর থেকে দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে তাদের।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।