রোববার ১৩ জুন ২০২১ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

নেইমারকে ফেরাতে প্যারিসে লোক পাঠিয়েছিল বার্সা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ৯ মে, ২০২১, ১০:১০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সংগৃহীত ছবি।

সংগৃহীত ছবি।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার পিএসজিতেই থেকে গেল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই ক্লাবেই থাকছেন তিনি। কিন্তু এর আগে ক্লাবের সাবেক তারকা ফুটবলারকে ফেরানোর জন্য প্যারিসে প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল বার্সেলোনা।  

কাতালুনিয়ার রেডিও ‘আরএসিওয়ান’ এমনটাই দাবি করেছে।  

নবায়ন করার পর নেইমারের চুক্তির মেয়াদ বেড়েছে আরও ৪ বছর। অর্থাৎ, ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্যারিসেই থাকছেন তিনি। কিন্তু চুক্তিতে স্বাক্ষরের আগে নেইমারকে ফেরানোর পথ বের করতে প্রতিনিধি পাঠায় কাতালান জায়ান্টরা।  

বলে ওই রেডিওতে দাবি করা হয়েছে। বার্সার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় নেইমারের ক্যাম্প ন্যুয়ে ফেরার আগ্রহ নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। কিন্ত মাত্র এক সপ্তাহ পর পিএসজিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নেইমার।

পিএসজির সঙ্গে নেইমারের চুক্তি নবায়ন ক্যাম্প ন্যুয়ে হতাশা ছড়িয়ে দিয়েছে। তারা মনে করছে, এতদিন নেইমার তাদের ব্যবহার করে এসেছেন। সমর্থকরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অন্যদিকে যাকে নিয়ে এতকিছু, সেই নেইমার নিজে কিন্তু প্যারিসে থাকতে পেরে বেশ খুশিই।  

চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর নেইমার বলেন, ‘আমি প্যারিসে থাকতে পেরে খুবই খুশি। অনেক বছরের জন্য এখানে থাকতে পেরে এবং ক্লাব প্রজেক্টের অংশ হতে পেরে আমি খুশি। এখানে থেকে আমি শিরোপা জিততে এবং আমাদের চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বপ্ন সত্যি করতে চাই।’

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।