বৃহস্পতিবার ৪ মার্চ ২০২১ ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭

উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ
দেশের ইতিহাসে প্রথম করোনার টিকা নেবেন নার্স রুনু
এম উমর ফারুক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:১০ পিএম আপডেট: ২৭.০১.২০২১ ১২:৪১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ

সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ

দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ বুধবার। দেশের ইতিহাসে বহুল প্রতীক্ষিত প্রথম টিকা গ্রহণ করবেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধনের সামগ্রিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বেলা সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা ছাড়াও  আরও দু’জন সিনিয়র স্টাফ নার্স মুন্নী খাতুন ও রিনা সরকারও টিকা নেবেন। এ ছাড়া চিকিৎসক হিসেবে প্রথম ভ্যাকসিন নেবেনে মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. আহমেদ লুৎফর মবিন। আরও দুই চিকিৎসকের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ভ্যাকসিনেটর হিসেবে ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনা আক্তার ও দীপালি ইয়াসমিনের নাম রয়েছে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক ও নার্স এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। প্রথম টিকা গ্রহিতা হিসেবে রুনা বেরোনিকার নাম থাকলেও তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকলে তালিকার অন্য দুজনের একজনকে টিকা দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে জানতে রুনু বেরোনিকার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হাসপাতাল পরিচালক তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। তবে প্রথম টিকা গ্রহিতা হিসেবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অনুভূতি জানাতে রাজি হননি।

জানা গেছে, টিকা গ্রয়োগ  কর্মসূচি আরও গতি পাবে এদিনই এই হাসপাতালে সম্মুখ সারিতে থাকা বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিত্বকারী ২৪ জনের একটি দলকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে।  সেই তালিকায় চিকিৎসক, নার্স, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, পুলিশ, সেনাবাহিনী, সাংবাদিকসহ অন্য পেশার মানুষ যুক্ত থাকবে। আর কাল বৃহষ্পতিবার এই হাসপাতালের সঙ্গে আরও চারটি হাসপাতালে করোনার টিকা প্রয়োগ শুরু হবে। এগুলো হচ্ছে: ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। এই পাঁচ হাসপাতালের পাঁচ পরিচালক বলেন, তারা টিকা কর্মসূচি চালু করতে প্রস্তুতি নিয়েছেন, তারা প্রস্তুত। তবে তাদের কেউ কেউ বলছেন, জাতীয়ভাবে কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কিছুটা সমস্যা হতে পারে- যেটা চ্যালেঞ্জ মনে হচ্ছে। তবে সেসব কিছু মাথায় নিয়েই কাজ করছেন তারা। প্রথমদিন যদি সবকিছু ঠিক ভাবে করা যায়, তাহলে মানুষের আস্থা আসবে, ধীরে ধীরে টিকা নিতে মানুষ উদ্বুদ্ধ হবে। এসব হাসপাতালের ৪০০ থেকে ৫০০ জন স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন দিয়েই এ কার্যক্রম শুরু হবে-জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী তাদের পর্যবেক্ষণ করা হবে, তাদের মধ্যে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কিনা সেটা দেখা হবে।

ইতোমধ্যেই গত ২০ জানুয়ারি ভারত সরকারের উপহার দেওয়া অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড টিকা দেশে এসে পৌঁছায়। গত সোমবার দেশে এসে পৌঁছেছে সরকারের কিনে নেওয়া তিন কোটি টিকার প্রথম ৫০ লাখ ডোজ। এই ৭০ লাখ টিকার ভেতরে ৬০ লাখ টিকা দেওয়া হবে প্রথম মাসে, দ্বিতীয় মাসে দেওয়া হবে ৫০ লাখ, তৃতীয় মাসে দেওয়া হবে আবার ৬০ লাখ। প্রথম মাসে টিকা পাওয়াদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে তৃতীয় মাসে। আর এ হিসাবে টিকা বিতরণ পরিকল্পনা ইতোমধ্যে করা হয়ে গেছে। কিনে নেওয়া টিকা দেশে আসার পর ঢাকা থেকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস চুক্তি অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলাতে টিকা পৌঁছে দেবে।

টিকা নেওয়ার প্রস্তুতি মোটামুটি ভালোই, সবকিছু প্রস্তুত হচ্ছে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক। টিকা নেওয়ার জন্য কতজন স্বাস্থ্যকর্মী প্রস্তুত করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও সেভাবে ফাইনাল করিনি, তবে পরিকল্পনা রয়েছে ১০০ জনের মতো স্বেচ্ছাকর্মীকে দিতে পারা যায় না, সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের অনেক চিকিৎসক আগ্রহী প্রথম দিনেই টিকা নিতে। তবে আমি নিজে হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে প্রথম টিকা নিতে আগ্রহী-আমার কলিগদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করতে, উৎসাহ দেওয়ার জন্য, আস্থা জোগাতে। এ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয়, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, টেকনোলজিস্ট,আনসারসহ সব বিভাগের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই ১০০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিচতলাতে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বুথ চালু করা হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক বলেন, এখানে টিকা দেওয়ার পর পর্যবেক্ষণ করা হবে। সেজন্য ‘পোস্ট ভ্যাকসিন এরিয়া’ প্রস্তুত করা হয়েছে, সেখানে পর্যবেক্ষণ করা হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আমিন জানান তার হাসপাতালের প্রস্তুতির কথা। আমাদের প্রিপারেশন অলমোস্ট আমরা শেষ করে ফেলেছি’। তিনি জানান, ২৪ জানুয়ারি এ হাসপাতালে এই টিকাদান কর্মসূচি কিভাবে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে একটি মিটিং হয়। সাধারণ মানুষের জন্য জাতীয়ভাবে টিকাদান কর্মসূচি চালু হবে তখন এ হাসপাতালে মোট আটটি বুথ থাকবে এবং প্রতিটি বুথে টিকা দেওয়ার জন্য দুইজন নার্স এবং চারজন করে স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। টিকা দেওয়ার পর পোস্ট ওয়েটিং রুমে ভ্যাকসিন গ্রহীতাদের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে তারা ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। আর এই সময়ে তাদের পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবে একটি মেডিক্যাল টিম এবং স্ট্যান্ডবাই আরেকটি মেডিক্যাল টিম থাকবে যেখানে একজন ইন্টারনাল মেডিসিন স্পেশালিস্ট, দুইজন রেসিডেন্স এবং একজন আইসিইউ স্পেশালিস্ট থাকবেন। তিনি আরও জানান, আটটি অবর্জারভেশন বেড প্রস্তুত করা হয়েছে জীবনরক্ষাকারী সব ধরনের ওষুধ এবং যন্ত্রপাতিসহ। সেখানে ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণ করা হবে, আর এই সময়ে যদি কারও আরও অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের প্রয়োজন হয় তাহলে হাসপাতালের সি ব্লকে ১০ তলায় চারটি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে এইচডিইউ ( হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) হিসেবে। আর এই কাজে একেবারেই একটি ডেডিকেটেড অ্যাম্বুলেন্সও রাখা হয়েছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আমিন বলেন, এখন পর্যন্ত হাসপাতালের ৩০০ জনের ওপরে চিকিৎসক টিকা নেওয়ার জন্য আবেদন করে নিবন্ধন করেছেন যার তালিকা আমার কাছে রয়েছে। তবে নার্সদের, তৃতীয় চতুর্থ, এমএলএসএস, আনসার এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যার যার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করছেন। আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে, সব বিভাগ থেকেই কয়েকজন করে নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বলা ২০০ জনের তালিকা করা হবে। হাসপাতাল পরিচালক হিসেবে তিনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়াও ভ্যাকসিন নিতে নিবন্ধন করেছেন। ব্রিগেডিয়ার জুলফিকার আমিন বলেন, আমি এবং ভিসি মহোদয় দুজনই টিকা নিচ্ছি, হাসপাতালের অন্যদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এবং এটা আমাদের প্রয়োজন ও দায়িত্ব। মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. অসীম কুমার নাথ বলেন, হাসপাতালের ভেতরে ভ্যাকসিনেশন সাইটে ভ্যাকসিন গ্রহীতাদের কিছু ভাইটাল বিষয়- যেমন রক্তচাপ, ফুসফুসের অবস্থা এবং অ্যালার্জির কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা-এসব কিছু যদি ঠিক থাকে তাহলে তাকে টিকা দেওয়া হবে, সেখানে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে ৩০ মিনিটে। আর তাদের দেখার জন্য থাকবে একটি মেডিক্যাল টিম। যদি কোনও সমস্যা না হয় তাহলে তারা বাসায় চলে যাবে এবং তখন তাদের একটি টেলিমেডিসিনের জন্য ফোন নম্বর দেওয়া হবে। যদি বাড়ি যাওয়ার পর কোনও সমস্যা হয় তখন ওই নম্বরে তিনি কল করে প্রয়োজনীয় সেবা নেবেন।

টিকা রাখার জন্য হাসপাতালে আইএলআর ( হিমায়িত বাক্সের মধ্যে টিকা সংরক্ষণের  ব্যবস্থা) ফ্রিজ রয়েছে যেখানে তিন হাজার ভ্যাকসিন রাখার ব্যবস্থা আছে। এ হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স,ওয়ার্ডবয়, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তারক্ষী, টেকনোলজিস্টসহ মোট ১ হাজার ৪৭ জন কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ১০০ থেকে ১৫০ জনের মতো মানুষকে প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এ হাসপাতাল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ জনের একটি তালিকা অধিদফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডা অসীম কুমার নাথ বলেন, তবে আমরা যাদের বয়স ৫০ বছরের নিচে তাদেরকে প্রায়োরিটি দিতে চাইছি। কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ কে এম সরয়ার উল আলম জানিয়েছেন, এ হাসপাতালের এ সংক্রান্ত প্রস্তুতি চলছে, এখনও ফাইনাল হয়নি। যারা ভ্যাকসিন দেবেন-তাদের প্রশিক্ষণ চলছে। এ হাসপাতালে কারা ভ্যাকসিন নেবেন তাদের তালিকা হচ্ছে, যাচাই বাচাই চলছে। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ জানান, তার হাসপাতালে প্রস্তুতি শেষ। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। এ হাসপাতালের ১০০ জনের তালিকা তৈরি করা হয়েছে প্রথম দিনের জন্য, পাশাপাশি ৫০ জনের আরেকটি টিম স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। কেবল ২৭ কিংবা ২৮ তারিখকে ধরে এই পরিকল্পনা নয়, এই পরিকল্পনা অনেক লম্বা, হয়তো এই টিকাদান কর্মসূচি চালাতে হবে অনেক দিন- সে হিসেব ধরেই পরিকল্পনা  নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ম্যানেজমেন্ট টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। গ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য ২০টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। সঙ্গে রাখা হয়েছে চার বেডের আইসিইউ ইউনিট। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ বলেন, আশাকরি খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে একটু মোটিভেশন লাগবে সব লেভেলেই । অথচ এটা পার্ট অব হিস্ট্রি হওয়ার কথা। তাই আমাদের ইচ্ছে যারা সিনিয়র আছেন তাদেরকে দিয়ে এই হাসপাতালে এ কর্মসূচি চালু করার, যাতে করে অন্যদের ভয় বা আতঙ্ক কেটে যায়।

টিকা প্রয়োগে ঔষধ অধিদপ্তরের অনুমতি: টিকা ব্যবহারের উপযোগিতা সনদ দিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এর ফলে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে দেশে আসা ৫০ লাখ টিকা প্রয়োগে আর কোনো বাধা থাকল না। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মহাখালীতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এই সংবাদ সম্মেলন হয়। মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান জানান, ভারত থেকে আসা টিকার প্রতিটি লটের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এই টিকা দিয়েই বাংলাদেশে শুরু হবে কোভিড-১৯-এর টিকাদান প্রক্রিয়া। 

করোনার টিকা প্রয়োগ কেন্দ্র দেখাবে গুগল ম্যাপস: শিগগিরই গুগল ম্যাপসে করোনার টিকাদান কেন্দ্রের অবস্থান দেখানো শুরু হবে। সঙ্গে থাকবে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক তথ্য। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে সুবিধাটি ছাড়া হবে। এরপর ক্রমে তা অন্যান্য দেশেও পাওয়া যাবে। চলতি বছরের শুরুর তুলনায় এ কয়েক দিনে ‘নিকটস্থ টিকা’ খোঁজার হার বেড়েছে পাঁচ গুণ। মানুষের সে চাহিদার ভিত্তিতে গুগল ম্যাপসে ব্যবহারকারীর অবস্থান অনুযায়ী টিকাকেন্দ্রের তথ্য দেখানো শুরু করা হচ্ছে। নতুন সুবিধায় ম্যাপে পাবেন নিকটস্থ টিকাকেন্দ্র। আরও পাবেন প্রাসঙ্গিক তথ্য, যেমন অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে কি না, টিকা সবাইকে দেওয়া হবে কি না, ‘ড্রাইভ-থ্রু’, অর্থাৎ গাড়ি চালিয়ে গিয়ে টিকা নেয়া যাবে কি না-এসব তথ্যও থাকবে। গুগল বলেছে, তারা নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য স্থানীয় সরকার এবং ওষুধ বিক্রয়কেন্দ্রের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। অবশ্য গুগল প্রথম নয়। এর আগে স্টারবাকস, আমাজন ও ওয়ালমার্টের প্রতিষ্ঠানও টিকা সরবরাহে নানাভাবে যুক্ত থাকার ঘোষণা দিয়েছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।