শুক্রবার ৫ মার্চ ২০২১ ২০ ফাল্গুন ১৪২৭

ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা আরও গরিব
বিনিয়োগে স্থবিরতায় বেড়েছে কোটিপতি
জোনায়েদ মানসুর
প্রকাশ: রোববার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২১, ১১:৪৬ এএম | অনলাইন সংস্করণ

বিনিয়োগে স্থবিরতায় বেড়েছে কোটিপতি

বিনিয়োগে স্থবিরতায় বেড়েছে কোটিপতি

দেশে ধনী ব্যক্তিদের সংখ্যা বেড়েই চলছে। মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও এ সংখ্যা কমেনি। এ সময়ে বিনিয়োগ ও শেয়ারজাবার স্থবির থাকলেও অনেকে ব্যাংক টাকা রাখতে পছন্দ করছেন। নিত্যপণ্য, চিকিৎসা সামগ্রী, টেলিমেডিসিন সেবা, ইন্টারন্টে ও আইটি ব্যবসা ভালো হওয়ার কারণে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দেশে কোটিপতি সংখ্যাবৃদ্ধির হার ইঙ্গিত দেয় যে, ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে, আর গরিবরা আরও গরিব। এতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ও সামাজিক ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই জাতীয় বৈষম্য দেশের প্রাথমিক উন্নতির সময়ে বাড়তে থাকে, যা পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে কমে আসে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি ও মেট্রোনেট বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আলমাস কবির স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনাকালে মানুষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বেশি ব্যবহার করছে। ফলে দেশের ই-কমার্সের ব্যবসা, ইন্টানেটের ব্যবসায় ভালো চলছে। এটিই ই-বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে। ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমের উন্নতি দেশে ই-কমার্সকেও উৎসাহিত করেছে। অনলাইনে পোশাক, ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী, নিত্যপণ্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, আইটি পণ্য বেশি বিক্রি হয়েছে ও হচ্ছে। এ সঙ্গে সশ্লিষ্ট ব্যসায়ীদের ব্যবসা লাভবান হওয়ায় অনেকেই কোটি কোটির কাতারে দাঁড়িয়েছেন বলে তিনি মনে করেন। আর ডাটা টেকনোলজি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী আব্দুল কাদের রনি স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, করোনায় দেশের অর্থনীতিতে ধাক্কা লেগেছে। এতে এক শ্রেণির ভালো ব্যবসা হয়েছে। অপর শ্রেণি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। করোনায় আইটি খাতে শীর্ষে যারা অবস্থান করছে, তারা লাভবান হয়েছেন। তারা যারা ছোটো ব্যবসায়ী তাদের অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আপনি কী ব্যবসায় করেন জানতে চাইলে রনি এন্টারপ্রাইজের এ ব্যবসায়ী বলেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, অগ্রণী, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ম্যাক্সগ্রুপ, সুপারশপ স্বপ্নের মত বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইটি সল্যুশন, প্রিন্টার ও প্রিন্টারের কালির কাজ করেন তিনি। করোনায় এসব প্রতিষ্ঠানে তার কাজ কম হয়েছে বলে জানান তিনি। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র গবেষক ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও মাস্ক, টেলিমেডিসিন, চিকিৎসা সামগ্রী, নিত্যপণের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অনেকের আয় বাড়ছে। কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বাড়ার এটাই প্রমাণ করে। আর বিনিয়োগ পরিবেশ এখন স্থবির, শেয়ার বাজারের অবস্থাও খুব একটা ভালো নেই। এই দুই কারণে অনেকে ব্যাংক টাকা রাখতে পছন্দ করছেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগে না যাওয়ার কারণে ব্যাংকে টাকা ঢুকছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকে কোটিপতি আমানতকারী বাড়ার ফলে একটি বিশেষ শ্রেণি ধীরে ধীরে ধনী হয়ে যাচ্ছে। এতে সমাজে বৈষম্য বাড়ছে। তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বাড়াকে পজিটিভভাবে দেখতে হবে। কারণ, এই পরিমাণ টাকা দেশ থেকে পাচার না হয়ে ব্যাংকে প্রবেশ করেছে। এটা একটা ভালো দিক বলে মনে করেন তিনি। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত এক বছরে কোটিপতি আমানতকারী বেড়েছে ৭ হাজার ৭১১ জন। এরমধ্যে করোনাকালের ছয় মাসেই বেড়েছে ৪ হাজার ৮৬৩। ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৭৯ হাজার ৮৭৭ জন। ২০২০ সালের মার্চে যখন দেশে মহামারি করোনার আবির্ভাব শুরু হয়, তখন ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫টি। গত সেপ্টেম্বরের শেষে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ৪৮৮টি। অর্থাৎ, ছয় মাসে (১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর) ব্যাংক খাতে কোটি টাকা আমানত রাখা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়েছে ৪ হাজার ৮৬৩টি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ৮৭ হাজার ৪৮৮টির মধ্যে ব্যক্তি অ্যাকাউন্ট যেমন রয়েছে, তেমনই প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টও রয়েছে। আর প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্টের পেছনে কোনও না কোনও ব্যক্তি রয়েছেন। তারা বলছেন, ব্যাংকে কোটি টাকার বেশি আছে-এমন আমানতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া মানেই দেশে নতুন করে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বর-এই তিন মাসে ব্যাংকে কোটিপতি আমানতের সংখ্যা বেড়েছে ১ হাজার ৪৫১টি। আর গত মার্চ থেকে জুন ওই তিন মাসে ব্যাংকে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ৪১২ জন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এই বছরের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৮৬ হাজার ৩৭ জন। গত মার্চ শেষে এই সংখ্যা ছিল ৮২ হাজার ৬২৫ জন।

এদিকে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) করোনাকালীন আয়, ব্যয় ও বেকারত্বের প্রভাব তুলে ধরে বলেছে, করোনায় মানুষের আয় কমেছে ২০ শতাংশ। করোনার আগে গত মার্চ মাসে প্রতি পরিবারের মাসিক গড় আয় ছিল ১৯ হাজার ৪২৫ টাকা। আগস্টে তা কমে দাঁড়ায় ১৫ হাজার ৪৯২ টাকায়। অর্থাৎ পাঁচ মাসের ব্যবধানে পরিবারপ্রতি আয় কমেছে প্রায় চার হাজার টাকা। আর জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের সহযোগিতায় প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ আয়োজিত এক ওয়েবিনারে জানানো হয়, কোভিড-১৯-এর কারণে আয় কমেছে শতকরা ৭২ দশমিক ৬ শতাংশ পরিবারের। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে সেসব পরিবার, যাদের বছরে আয় এক লাখ টাকার কম। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, বিগত ১২ বছর ধরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে। ২০০৯ সালের জুন মাস শেষে ব্যাংক খাতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ২১ হাজার ৪৯২ জন। এখন এই সংখ্যা ৮৭ হাজার ৪৮৮ জন। অর্থাৎ গত ১২ বছরে ৬৫ হাজার ৯৯৬ ব্যাংকের গ্রাহক কোটিপতির তালিকায় নতুন করে নাম লিখিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ব্যাংকে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন এক হাজার ৩০৩ জন। ৪০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তি রয়েছেন ৪৭২ জন। ৩৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ২৬৮ জন গ্রাহক। ৩০ কোটি টাকারও বেশি আমানত রেখেছেন ৩৫২ জন। ২৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৬২৬ জন। ২০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ১০৪০ জন। ১৫ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ১ হাজার ৫৭১ জন। ১০ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৩ হাজার ২৩২ জন। পাঁচ কোটি টাকার বেশি আমানত রেখেছেন ৯ হাজার ৬৯৯ জন। এক কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা আমানত রাখা গ্রাহকের সংখ্যা ৬৮ হাজার ৯২৫ জন গ্রাহক।

ব্যাংক হিসাবের তথ্যানুযায়ী দেশে ১ কোটি বা তারচেয়ে বেশি টাকার আমানত রয়েছে এমন ব্যক্তির সম্পদ ১০ শতাংশ বা ৪৮ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা বেড়েছে। এর ফলে ২০১৯ সালে ৮৩ হাজার ৮৩৯ জনে উন্নীত হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ৮ হাজার ২৭৬ জন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৬৫ লাখ ৯৫ হাজার ২১১। এর মধ্যে ১ কোটি বা তারচেয়ে বেশি টাকার আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার ৮৩৯। ২০১৮ সালে দেশে ১ কোটি বা তারচেয়ে বেশি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৭৫ হাজার ৫৬৩। এক বছরে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১১ শতাংশ। আর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দেশে কোটিপতি ব্যাংক হিসাব ছিল ৭৯ হাজার ৮৭৭। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে কোটিপতিদের হিসাবের সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ৯৬২। ২০০৯ সালের মার্চে দেশে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৬৩৬ জন। ২০০৯ সালের পর ব্যাংকে রাখা কোটিপতি আমানতকারীদের টাকার পরিমাণ ৭৯ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা থেকে পাঁচগুণ বেড়ে ৪ লাখ ৪৭ হাজার ১৩১ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৫ জন, যা ১৯৭৫ সালে ৪৭ জনে উন্নীত হয়। দেশে কোটিপতিদের সংখ্যা ১৯৮০ সালে ছিল ৯৮ জন, ১৯৯০ সালে ৯৪৩ জন, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২ জন, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ জন এবং ২০০৮ সালে ১৯ হাজার ১৬৩ জন ছিল।  সম্প্রতি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) এক গবেষণা বলছে, প্রবৃদ্ধি শতকরা ৫ ভাগ লোকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। যার কারণে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, মানে বড়লোক বাড়ছে। সাধারণ জনগণ প্রবৃদ্ধির সুফল পাচ্ছে না। যার প্রমাণ করোনার মধ্যে পাওয়া গেছে। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ১ কোটি ১ টাকা  থেকে ৫ কোটি টাকার আমানতকারীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৫ হাজার ৯১৯টি। বছরের ব্যবধানে এ অঙ্কের হিসাব বেড়েছে ৬ হাজার ৬৬১টি। এর আগে ২০১৮ সালে যা ছিল ৫৯ হাজার ২৫৮টি। এছাড়া ডিসেম্বর শেষে ৫ কোটি ১ টাকা থেকে ১০ কোটির মধ্যে ৯ হাজার ৪২৬ জন, ১০ কোটি ১ টাকা থেকে ১৫ কোটির মধ্যে ৩ হাজার ১৮৪ জন, ১৫ কোটি ১ টাকা থেকে ২০  কোটির মধ্যে ১ হাজার ৪৭২ জন, ২০ কোটি ১ টাকা থেকে ২৫ কোটির মধ্যে ৯৯৭ জন, ২৫ কোটি ১ টাকা থেকে ৩০ কোটির মধ্যে ৫৮৮ জন, ৩০ কোটি ১ টাকা থেকে ৩৫ কোটি টাকার মধ্যে ২৪৬ জন এবং ৩৫ কোটি ১ টাকা থেকে ৪০ কোটির মধ্যে ৩৮৪ জন আমানতকারীর হিসাব রয়েছে। গত এক বছরে ৪০ কোটি ১ টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮৪টি, যা ২০১৮ সাল পর্যন্ত ছিল ৩৫৮টি। আলোচিত সময়ে ৫০ কোটি টাকার বেশি আমানত রাখা ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৩ জনে দাঁড়িয়েছে। ২০১৮ সালে যা ছিল ১ হাজার ১৪৮ জন। অর্থাৎ এক বছরে ৫০ কোটি টাকার বেশি হিসাবধারীর সংখ্যা বেড়েছে ১৩৫ জন।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।