বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০২১ ১৩ মাঘ ১৪২৭

সমুদ্রতীরে পাওয়া যাচ্ছে স্বর্ণ, মানুষের ঢল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০, ৮:০৩ পিএম আপডেট: ২৯.১১.২০২০ ৮:০৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সমুদ্রতীরে পাওয়া যাচ্ছে স্বর্ণ, মানুষের ঢল

সমুদ্রতীরে পাওয়া যাচ্ছে স্বর্ণ, মানুষের ঢল

পানির মধ্যে ‘স্বর্ণ’ পাওয়া যাচ্ছে। আর তা কুড়াতেই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাডা সমুদ্রতীরে নেমেছে মানুষের ঢল। সাইক্লোন ‘নিভার’ গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতে আঘ্ত হানে। তাতে তলিয়ে যায় ওই এলাকা।

নিভার পরবর্তী বিরুপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে পানি নামতেই গতকাল শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় মূল্যবান ধাতুর খোঁজ। তবে স্বর্ণ কিংবা মূল্যবান ধাতু কেউ পেয়েছে কি না এখনো স্পষ্ট জানে না স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

তবে এটাই প্রথমবার নয়। প্রতিবারই কোনো বড় ঝড় বা সাইক্লোনের পরে সমুদ্রের পানিতে স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতু, রত্ন পাওয়া যায় বলে বিশ্বাস ওই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের।

স্থানীয়রা জানায়, প্রবল ঝড়ে বা জোয়ারে এলাকা জলমগ্ন হলে এলাকার প্রাচীন একাধিক মন্দিররে জোয়ারের পানি ঢুকে যায়। এরপর পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গেই বহু মূল্যবান দ্রব্যই ভেসে আসে সমুদ্রতীরে। এ ঘটনা নতুন কিছু নয়। তাই এই ধরনের বড় দুর্যোগের পরে অনেকেই মূল্যবান রত্ন পেয়ে থাকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

জানা গেছে, অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরীর ইউ কোঠাপল্লী মণ্ডলের বেশ কয়েকটি মৎস্যজীবী পরিবার স্বর্ণের টুকরা পাওয়ার দাবি করেছে। খবরটি এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর পরই কাকিনাডা সমুদ্রতীরে নামে মানুষের ঢল।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।