বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ ৭ কার্তিক ১৪২৭

নিমপাতায় নিরাময় হবে যেসব রোগ
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ৮:০০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

নিমপাতায় নিরাময় হবে যেসব রোগ

নিমপাতায় নিরাময় হবে যেসব রোগ

আমাদের চারপাশে পাওয়া যায় এমন একটি উপকারী ওষুধ নিমপাতা। নিমপাতার উপকার প্রচুর শুধু কয়েকটা নিমপাতা নিয়মিত খেলে, রোগ থাকবে অনেক দূরে।

নিমপাতা যেসব রোগ সারাতে পারে- 

নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। চুলকানি ভালো করার জন্য পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগাতে পারেন।
শিশুরা বেশি কৃমির শিকার হয়। শিশুদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য গরম পানিসহ খেতে হবে।

বুকে কফ জমলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতীদের জন্য ঔষধটি নিষেধ।
সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।
নিমের তেল মুখে ব্যবহার করলে ব্রণ হয় না।

দীর্ঘদিনের পেটের অসুখ থাকলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস এক কাপ পানিতে ৪/১ ভাগ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল-বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।
জন্ডিস হলে প্রতিদিন সকালে বাচ্চাদের জন্য ৫-১১ ফোঁটা, বয়স্কদের জন্য ১ চামচ নিম পাতার রস একটু মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে।
পোকা মাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা কমে। 

নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

সূত্র- নিউজ ১৮ বাংলা।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।