বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ ৭ কার্তিক ১৪২৭

পদ পাচ্ছেন বিবাহিত, মাদকাসক্ত, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা
ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদলের কমিটি গঠনে
টাকার বিনিময়ে কমিটি দেওয়া হচ্ছে
এম উমর ফারুক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০, ১১:২৮ পিএম আপডেট: ১৬.১০.২০২০ ১:১২ এএম | অনলাইন সংস্করণ

ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদলের কমিটি গঠনে

ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ছাত্রদলের কমিটি গঠনে

দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচিত কমিটি ছাত্রদলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সারাদেশের ইউনিট কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে সংগঠনকে চাঙ্গা ও গতিশীল করা কাজও শুরু করেছে। এরই ধারবাহিকতায় সারা দেশের থানা-পৌর, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শাখাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটি গঠনের লক্ষ্যে ১০টি সাংগঠনিক বিভাগে ১১টি টিম গঠন করা হয়। বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমগুলো সারাদেশ সফর করে কর্মীসভাও করে। কিন্তু বিভিন্ন ইউনিট কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাংগঠনিক টিমের বিরুদ্ধে। এতে বাদ পড়ছেন দীর্ঘদিনে রাজপথে থেকে হামলা, মামলায় জর্জরিত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা। আর সাংগঠনিক টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের কাছে টাকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন, বিবাহিত, মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, ছাত্রত্ব নেই, ছাত্রশিবিরের কর্মী, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ও দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয়রা। এতে ছাত্রদল নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় তৃণমূলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাংগঠনিক টিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে আর্থিক লেনদেনসহ   বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে জোড়ালোভাবে। বিভিন্ন ইউনিট থেকে হাইকমান্ডের কাছেও লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় কুমিল্লা বিভাগীয় টিম প্রধান ও খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর  অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিমের বিরুদ্ধে। এই টিম বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদের কাছ থেকে টাকার নিয়ে পদ দিয়েছেন বলে জোড়ালো অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্বের প্রতি অবহেলা করে বান্দরবন জেলায় কর্মীসভাও করেনি সাংগঠনিক টিম। অথচ, ঢাকায় বসে মনগড়া কমিটি করে সাক্ষরের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও বান্দরবন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাধারন সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরিত ১৩ টি ইউনিট কমিটি জমা নেন। কিন্তু কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় প্রায় আড়াই মাস পর  প্রস্তাবিত ১৩ ইউনিটের মধ্যে ১০ টি ইউনিটের কমিটি চূড়ান্ত করে চট্রগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। প্রস্তাবিত কমিটির সঙ্গে কোন মিল না রেখে ওই ১০ ইউনিটের চূড়ান্ত কমিটি স্বাক্ষরের জন্য জেলা সভাপতি সাধারন সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়। সাংগঠনিক টিমের পাঠানো কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দেওয়ায় সাক্ষর করেনি বান্দরবন জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক। তারা উল্টো বান্দরবন জেলার বিভিন্ন ইউনিটে গিয়ে তদন্ত করে কমিটির দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের লিখিত আবেদন করেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সারাদেশের ইউনিট কমিটির কাজ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। কমিটি গঠনের কাজ করতে কিছু কিছু ইউনিটে সমস্যা হচ্ছে। আলোচনা সাপেক্ষে সমস্যাগুলোর সমাধানও করা হচ্ছে। বান্দরবন জেলার ইউনিট কমিটি নিয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তাদের দাবি, তদন্ত কমিটি দেয়া। আমরা তদন্ত কমিটি দেইনি। সুপার ফাইভ নেতাদের সাথে বসে আলোচনা করেছি। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

এদিকে, চট্রগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম বান্দরবান জেলা ছাত্রদলের চূড়ান্ত করা ১০ ইউনিট কমিটি বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমিটির সাতটি ইউনিটে বিবাহিত, মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবী, রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়, আওয়ামীলীগের সাথে প্রকাশ্যে সখ্যতা রয়েছে এমন কয়েকজনকে পদায়ন করা হয়েছে।

বান্দরবান সদরঃ যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হালিম উপজেলায় রাজনীতি করবে না। যুগ্ম আহবায়ক - মোঃ আছাদুল- বিবাহিত। যুগ্ম আহবায়ক - মোঃ মুজিব, পৌর ছাত্রদল করবে। যুগ্ম আহবায়ক - মিঠুন কুমার রাজনৈতিক ভাবে জুনিয়র। থুইসা অং - রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নেই। চিংহা অং - রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নেই। উচিং মারমা - রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নেই। অন্দ্রিয় ত্রিপুরা - রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নেই।

আলিকদম ইউনিট : আহবায়ক- নুরুল সফা দীর্ঘদিন রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয়। সুলতান মোহাম্মদ তুষার মাদকাসক্ত। দোলন শর্মা - মাদক ব্যবসায়ী ও আসক্ত। মিনহাজ উদ্দীন - এলাকায় থাকেন না এবং মাদকের সাথে জড়িত।  মিজানুর রহমান - ক্লাস নাইনে পড়েন। ছোট ছেলে।

লামা পৌর ইউনিটঃ আহবায়ক- রাজনৈতিক ভাবে জুনিয়র। যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আমির হোসেন-উপজেলা ইউনিটে রাজনীতি করবেন। যুগ্ম আহবায়ক রায়হান- আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে প্রকাশ্যে জড়িত। নাজিম উদ্দিন- এলাকায় থাকে না।ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত।

রোয়াংছড়ি ইউনিট: যুগ্ম আহবায়ক রেয়াথান সম বম বিবাহিত। চৌনি মারমা, চাকুরিরত এবং রাজনীতি করবে না। শৈহ্লাইসিং মার্মা, এসএসসি, পাশ করেন নাই। অং সিং মং মারমা - রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। সুজন পাহাড়ি ছাত্রপরিষদের সাথে জড়িত। সুমন- রাজনীতিতে অপরিচিতমুখ। মংকো খুমি- রাজনীতি সক্রিয় নেই। সাইনং রাজনীতিতে সক্রিয় নেই।

লামাঃ মনিরুল ইসলাম তুহিন- রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষনা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয়। মোঃ ইয়াসিন আরাফাত বুলবুল- আওয়ামীলীগের সাথে সখ্যতা প্রকাশ্যে। মোঃ শওকত হোসেন (ফাইতং) অপরিচিত মুখ।  মোঃ ইউনুস- অপরিচিত মুখ। মোঃ ওমর ফারুক- আওয়ামী পরিবারের সদস্য। ছাত্রদলের রাজনীতি করবেনা বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
নাইক্ষংছড়ি  কলেজঃ আহবায়ক - জাহাঙ্গির আলম- এনজিওতে চাকুরি করেন।

বান্দরবান কলেজ ঃ আহবায়ক ও সদস্য সচিব তুলনামুলক জুনিয়র। তারা দুজনই অর্নাস ২য় বর্ষের ছাত্র। যুগ্ম আহবায়ক -তারেকুল ইসলামের নাম ভুল। তার প্রকৃত নাম শেফায়েত হোসেন তারেক। সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসাবেও তার নাম আছে। মেজবা উদ্দিন তানজব- অপরিচিত মুখ। মোঃ সুমন - অপরিচিত মুখ।  ইফতেখার - অপরিচিত মুখ।

সুত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিমের প্রধান হচ্ছেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কেএসএম মুসাব্বির সাফি। তার সঙ্গে রয়েছেন সহসভাপতি পাবেল শিকদার, যুগ্ম সম্পাদক এবিএম মাহমুদ আলম সরদার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাইন উদ্দিন নিলয়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ সাব্বির। এ টিমের বিরুদ্ধে বান্দরবান জেলার সভাপতি আশরাফুল আমিন ফরহাদ ও অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যা কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করেন গত ২৩ জুলাই যৌথ স্বাক্ষরে ১৩টি ইউনিট কমিটি জমা দেই। আমাদের দেয়া কমিটিগুলো স্থানীয়ভাবে আলাপ-আলোচনা ও ছাত্র সমাবেশ করে মতবিনিময়ের মাধ্যমে গঠন করি। কিন্তু বিভাগীয় টিমের পাঠানো কমিটির সাথে আমাদের দেয়া কমিটির কোন মিল নেই।

কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হন চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিমের প্রধান ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কেএসএম মুসাব্বির সাফি। তার আর্থিক লেনদেন জায়েজ করতে তিনি কৌশল করে বান্দরবন জেলা সাধারন সম্পাদককে ফোন করেন। ফোনে পাঠানো কমিটিতে এককভাবে সাক্ষর করার জন্য চাপ দিয়ে বলেন, তোমাকে আমি ভালো জানি। তুমি সাক্ষর করে কমিটি পাঠিয়ে দেও। সভাপতি সাক্ষর না করলেও চলবে। । সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শুধু তুমি সাক্ষর করো। বাকিটা আমি দেখবো। কিন্তু সভাপতি সাক্ষর না করলে সাধারন সম্পাদক হিসেবে সে নিজেও সাক্ষর করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

এদিকে, ছাত্রদল কেন্দ্রিয় কমিটি বান্দরবন জেলা ছাত্রদলের অভিযোগ আমলে নেয়। তারা তদন্ত কমিটি না পাঠিয়ে সভাপতি সাধারন সম্পাদককে ঢাকায় ডেকে পাঠান। এরপর কেন্দ্রীয় কমিটি সুপার ফাইভ নেতাদের সাথে  আলোচনায় করেন। আলোচনায় সাংগঠনিক টিমের পাঠানো কমিটিতেই সাক্ষর করতে বলেন।  কিন্তু তারা তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। শেষ পর্যন্ত তারা সাক্ষর না করেই বান্দরবন ফিরে যান।

এবিষয়ে জানতে চাইলে বান্দরবান জেলার সভাপতি আশরাফুল আমিন ফরহাদ স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চট্রগ্রাম সাংগঠনিক টিম যে কমিটি দিয়েছে। আমরা তাতে সাক্ষর করিনি। কেন্দ্রিয় কমিটির কাছে তদন্ত চেয়ে আবেদন করেছি। কেন্দ্রীয় কমিটি আমাদের আবেদন আমলে নিয়ে বান্দরবনে এসে তদন্ত করে কমিটি দেবেন বলে আমরা আশাবাদী।

এদিকে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ২০ ইউনিটের মধ্যে ৬টি ইউনিট কমিটিতে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাদের মুল্যায়ন করা হয়নি। একারনেই স্বাক্ষর  করেনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি। তখন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর ছাড়াই কেন্দ্রীয় প্যাডে সহ-দফতর সম্পাদক স্বাক্ষরিত কমিটি দেওয়া হয়। এ নিয়ে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এমনকী এ কমিটি বাতিলের দাবিতে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ মিছিল করে পদপঞ্চিত নেতারা।

অন্যদিকে, ফটিকছড়ি উপজেলা কমিটি গঠণ প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। গার্মেন্টে চাকরিরত একজনকে উপজেলা কমিটির শীর্ষ পদে বসানোর কাজ প্রায় চূড়ান্ত করেছে চট্রগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। এবিষয়ে চট্টগ্রাম-২ আসনে গত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বিএনপি নেতা মো. আজিম উল্লাহ বাহার স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এলাকার দলীয় নেতাদের আলোচনা না করে কমিটি গঠণ করলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্বন্দ্ব কোন্দল আরো প্রকাশ্যে রুপ নেবে। আর কমিটি গঠণের ক্ষেত্রে আর্থিক সুবিধা নিয়েছে বলেও শুনতে পাচ্ছি। একইভাবে কক্সবাজার জেলার আওতাধীন ১৮টি শাখা কমিটি দেওয়া হয়েছে। ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে কক্সবাজার শহরে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন পদবঞ্চিতরা। এছাড়াও রাঙ্গামাটি জেলা, ফেনীর ফুলগাজী ও দাগনভূঞা কমিটি নিয়েও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় টিমের প্রধান ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কেএসএম মুসাব্বির সাফি স্বদেশ প্রতিদিনকে বলেন, টাকার বিনিময়ে কোন ইউনিট কমিটি দেওয়া হয়নি। সবার সাথে আলোচনা করেই কমিটি দিয়েছি। তবুও বান্দরবন জেলা থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি সে অভিযোগ আমলে নিয়েছে। আমরাও খতিয়ে দেখছি। কারো নামে কোন অভিযোগ থাকলে তাদের বাদ দিয়ে কমিটি দেওয়া হবে।  

এদিকে, খুলনা বিভাগীয় ছাত্রদলের টিমপ্রধানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়  জেলার নেতা। ২৫ জুন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন তারা। অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, তারা অসৎ ও অনৈতিক উদ্দেশ্যে কাজ করছে। প্রতিটি জেলায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাইরে আলাদা বলয় তৈরি ও সংশ্লিষ্টদের আগামী দিনে বড় পদের আশ্বাস দিয়ে সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।

খুলনার বিভাগের অন্তত ৫টি জেলার শীর্ষ নেতারা বলেন, টিম প্রধান কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মিজানুর রহমান সজীবের বিরুদ্ধে আমরা ২ পৃষ্ঠার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিয়ে অপসারণের দাবি করেছিলাম। কিন্তু ৬ অক্টোবর ৫টি বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম পুনর্গঠন করা হলেও তাকে বহাল রাখা হয়েছে। এছাড়াও সিলেট, ঝিনাইদহ, মুন্সীগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলার বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কমিটি বাতিলের দাবিতে এসব এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।