বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ ৭ কার্তিক ১৪২৭

কলা খালি পেটে খেলে যে সমস্যায় ভুগতে হবে
লাইফ স্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০, ৫:৩৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সংগৃহীত ছবি।

সংগৃহীত ছবি।

কলা এমনই একটি ফল যা সকালের নাস্তায় প্রায় অপরিহার্য। নিয়মিত এই ফল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, উচ্চ রক্তচাপ কমে। 

সেই সঙ্গে এই ফল শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। তবে কলা খালি পেটে না ভরা পেটে খাবেন তা নিয়ে অনেকেরই দ্বন্দ্ব রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলা পটাশিয়াম, ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উৎস হওয়ায় এটি দেহের বিভিন্ন পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। এটি শক্তি বাড়ায় এবং ক্ষিদে হ্রাস করে। এ কারণে প্রতিদিনই কলা খাওয়া উচিত।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের মতে, ভালো মানের একটি কলায় মাত্র ৮৯ ক্যালোরি থাকে। এছাড়া এতে ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি ৬ এবং পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি শরীরে পানিশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা এত উপকারী ফল হলেও খালি পেটে এটি খাওয়া মোটেও ঠিক নয়। কারণ কলায় অ্যাসিড ও পটাশিয়াম থাকে। যা খালি পেটে খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়। সেই সঙ্গে হজমেও সমস্যা দেখা দেয়। 

এছাড়া এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম রক্তে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে। যা কার্ডিওভাসকুলার পদ্ধতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। 

তবে শুকনো ফল, আপেল এবং অন্যান্য ফলের সঙ্গে কলা মিশিয়ে খেলে তা শরীরে অ্যাসিডের পরিমাণ হ্রাস করতে সাহায্য করে।

আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, সকালে খালি পেটে শুধু কলা নয়, যেকোনো ফলমূলই এড়ানো উচিত। তবে অন্য খাবারে সঙ্গে ফল মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।