বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ ২০ শ্রাবণ ১৪২৭

করোনা ও বন্যার কারণে চাকরিচ্যুত-কর্মহীন মানুষের জীবনে ঈদেও আনন্দ নেই
করোনা ও বন্যায় বিপর্যস্ত ঈদ অর্থনীতি
প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি পশু কোরবানি হলেও এবার হবে অর্ধেকেরও কম
জোনায়েদ মানসুর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০, ৯:৫৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনা ও বন্যায় বিপর্যস্ত ঈদ অর্থনীতি

করোনা ও বন্যায় বিপর্যস্ত ঈদ অর্থনীতি

ঈদুল আজহার (কোরবানি) বাকি ২ দিন। কোরবানিতে পশু জবাইকে কেন্দ্র করেই উদযাপিত হয় মূল উৎসব। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ও দেশের বন্যায় দৈনন্দিন জীবন ও এবারের উৎসবকে ম্লান করে দিয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরে মানুষ আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। পবিত্র ঈদুল আজহাতে (কোরবানি) আনন্দ উপভোগের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবছর ঈদকে ঘিরে অর্থনীতি চাঙ্গা থাকলেও ২০২০ সালের ঈদ অর্থনীতিতে চাঙ্গাভাব নেই। এ সময় মানুষের মধ্যে উৎসবের চেয়ে হতাশাই কাজ করছে বেশি। 

তারপরও করোনায় দীর্ঘ সাধারণ ছুটি এবং বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তাতে কিছুটা গতি নিয়ে আসছে কোরবানি; বলে এমনটি মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। বিশেষ করে দেশীয় পোশাক কারখানাগুলোয় উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসায়ীদের চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। কোরবানির অর্থনীতির মূল চালিকা হচ্ছে গবাদি পশু বেচাকেনা। এবার দেশে ১ কোটি ১০ লাখ চাহিদার বিপরীতে কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ। এ ছাড়া চামড়া, মসলা, দা, বঁটি, পরিবহন, পোশাকসহ বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। বাড়ছে টাকার প্রবাহও। মন্দার মধ্যেও বেড়েছে রেমিট্যান্স। করোনার মধ্যেও সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের একটি অংশ বোনাস পেয়েছেন। সীমিত আকারে চলছে গণপরিবহন। সবকিছু মিলে দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা গতি ফিরতে শুরু করেছে। তবে ৩০টিরও বেশি জেলায় বন্যার কারণে এবারও উৎসবে ঘাটতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছরই এই উৎসবে অর্থনীতিতে গতি বাড়ে। তবে এবার উল্লেখযোগ্য কিছু হবে বলে মনে হয় না। কারণ, অর্থনীতিতে অনেক রকম সমস্যা রয়েছে। বন্যার কারণে অনেক জায়গায় খাদ্য সংকট। এ কারণে কোরবানি দেয়ার লোক কম। তবে কিছুটা গতি বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. আর এম দেবনাথ মনে করেন, বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বন্যা ও বৃষ্টির জলে ভেসে গেছে। কোভিড-১৯-এর আতঙ্ক, চার মাস ধরে মানুষ করোনার কবলে। লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। অগণিত মানুষ মারা যাচ্ছে। মানুষ এবার রোজার ঈদ শান্তিতে করতে পারেনি। একই অবস্থা হচ্ছে কোরবানির ঈদে, তা অনেকেই মানতে পারেন না। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদের শুধু ধর্মীয় দিক নয়। এর আছে একটা বড় অর্থনীতি। কোরবানির ঈদের পক্ষ বেশ কয়েকটি। তা হচ্ছে- খামারিরা, মসলার বাজার, চামড়ার বাজার, লবণ ব্যবসায়ী। 

এদিকে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চামড়া ক্রয়ের চামড়া ক্রয়ে ৬৮০ কোটি টাকা ঋণ দেবে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটিসহ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক। শুধু নিয়মিত গ্রাহকদেরই এই ঋণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক দেবে ৫৪০ কোটি টাকা। কিন্তু এ ব্যবসায় অগণিত দালাল, ফড়িয়াসহ প্রায় প্রতি বছরই বড়ো বড়ো চামড়া শিল্পের মালিক ‘মনোপলি’, ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি করে চামড়ার দাম কমিয়ে রাখেন। 

ব্যবসায়ীদের মতে, কোরবানি পশুর চামড়া থেকে এ খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। এবার তেমন গতি সঞ্চার হচ্ছে না। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইবিএ অধ্যাপক ড. মোহা. হাছানাত আলী মনে করেন, ঈদুল ফিতরের ঈদের অভিজ্ঞতা কিন্তু মোটেই সুখকর ছিল না। অন্যদিকে করোনাকালের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও সাম্প্রতিক বন্যা গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে লণ্ডভণ্ড দেশের উপকূলবর্তী দক্ষিণাঞ্চল। বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। বহুমানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। সঙ্গত কারণেই তাদের জন্য এবারের ঈদ নিরানন্দ হবে তা বলাই যায়।

এ প্রসঙ্গে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ঈদের অর্থনীতির সঠিক কোনো হিসাব না থাকলেও করোনার কারণে এবার ঈদের অর্থনীতির আকার ছোট হবে অবশ্যই। গেল কোরবানি ঈদের অর্ধেকের কিছু বেশি হতে পারে। এর তিনটি কারণ রয়েছে এক. মানুষের সচ্ছলতার অভাব রয়েছে। দুই. সামর্থ্য থাকলেও করোনাসহ সার্বিক পরিস্থিতির কারণে ইচ্ছা শক্তির অভাব রয়েছে। 

গবেষক সেন্টার পর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এ মুহূর্তে মানুষের কাজের সুযোগ সীমিত, অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে, আয় কমে গেছে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, ৯৫ শতাংশ পরিবারের আয় কমে গেছে, স্বল্প সময়ের জন্য হলেও দেড় কোটি মানুষ বেকার, ১৫ শতাংশ নতুন দরিদ্র সৃষ্টি হয়েছে। এ থেকে অনুমান করা যায়, মানুষ অর্থের চাপ ও অর্থকষ্টে রয়েছে। একটি বড় গোষ্ঠী অর্থেও টানাপড়েনে রয়েছে। এ রকম সময়ে জরুরি প্রয়োজনের ব্যয় ছাড়া অন্য ব্যয় মানুষ কম করতে চাইবে। এতে অন্য বছরের চেয়ে কোরবানির সামর্থ্য ও আকার আগের চেয়ে ছোট হবে। মোট কথা এবারের কোরবানি ঈদ উদযাপন আকারে সীমিত হবে।

কোরবানির ঈদ অর্থনীতির আকার : ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতির আকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য বা গবেষণা নেই। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণত প্রতি বছর কোরবানির ঈদে দেশে প্রায় ১ কোটির ওপর পশু কোরবানি হয়। গেল বছর গেল ঈদ-উল আজহায় ৩৮ লাখ গরুসহ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছিল। আসন্ন ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। গরু-মহিষ মিলে দাঁড়ায় প্রায় ৪৫ লাখ। গড়ে ৬০ হাজার টাকা হিসাব করলেও গরু ও মহিষের দাম হয় ২৭ হাজার কোটি টাকা। ৬৫ লাখ ছাগল-ভেড়ার দামও প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। আবার ঈদকেন্দ্রিক পরিবহন, পর্যটন, ফ্রিজ, টিভিসহ সৌখিন কেনাকাটা, সীমিত মাত্রায় পোশাকসহ অন্য কেনাকাটা মিলে কোরবানির ঈদ অর্থনীতিতে আর্থিক লেনদেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু এবার ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় ন্যূনতম কোরবান পালনে এ অর্থনীতির আকার এক-তৃতীয়াশ। পাশাপাশি অন্য খাত মিলিয়ে কোরবানকেন্দ্রিক অর্থপ্রবাহ অর্ধেকে নেমে যেতে পারে বলেই মনে করেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। 

ব্যবসায়ীদের মতে, প্রতিবছর দেশে দেড় কোটিরও বেশি পশুর চামড়া পাওয়া যায়। এর বড় অংশই আসে কোরবানির পশু থেকে। চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখাতের মূল বাজার ৪-৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বাজারসহ এ খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়। এ বছর কোরবানির চামড়া কিনতে ৬৮০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে কয়েকটি ব্যাংক। জানা গেছে, প্রতিবছর দেশে পেঁয়াজের চাহিদা ২২ লাখ টন। রসুনের চাহিদা ৫ লাখ টন, আদা ৩ লাখ টন। এর উল্লেখযোগ্য অংশই কোরবানিতে ব্যবহার হয়। অন্যদিকে গরম মসলা, বিশেষ করে এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ, জিরা, তেজপাতার উল্লেখযোগ্য অংশ কোরবানিতে ব্যবহার হয়। কোরবানির বাজারে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হবে এসব পণ্যের। কোরবানির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হল কামার আইটেম। ছুরি, বঁটি, দা, চাপাতি, কুড়াল, রামদা ছাড়া কোরবানিই সম্ভব নয়। সঠিক কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কোরবানিতে পণ্যটির বাজার এক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। অন্যদিকে বাজারে বাড়ছে টাকার প্রবাহ। মন্দার মধ্যেও গত জুনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৮২ কোটি ডলার। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় যা ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। 

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ তথ্যানুসারে বিশ্বের মোট জিডিপির আকার ৮৮ ট্রিলিয়ন ডলার। কিন্তু করোনার কারণে তা ৩ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার কমবে, যা মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। আর করোনার কারণে গত ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ক্ষতি ৯-২১ বিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন হিসাব অনুসারে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ। আর করোনার আগের সংখ্যা মিলিয়ে দরিদ্র ও ভঙ্গুর জনশক্তির সংখ্যা দাঁড়াবে ৭ কোটি, যা দেশের মোট জনশক্তির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। এরপর দেশের ২০টির বেশি জেলা বন্যাকবলিত। সবকিছু মিলিয়ে অর্থনীতিতে বিপর্যস্ত অবস্থা। এ অবস্থায় কোরবানির কারণে কিছুটা গতি আসতে পারে অর্থনীতিতে। 

ব্যস্ত কামারপট্টি নেই বেচা-বিক্রি : প্রতিবারই কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত থাকে কামারপট্টি। এবার খুব জাকজমক না থাকলেও কিছু ব্যস্ত রয়েছে। তবে নেই বেচা-বিক্রি। দেখা গেছে, চলছে হাঁপর টানা, পুড়ছে কয়লা, জ্বলছে লোহা। হাতুড়ি পিটিয়ে কামার তৈরি করছেন দা, বটি, ছুরি, হাসুয়া, কাস্তে, চাপাতিসহ ধারালো সব যন্ত্রপাতি। যদিও করোনা পরিস্থিতিতে বর্তমানে বিক্রিবাট্টা নেই। তারপরও আসন্ন কোরবানির ঈদের কথা মাথায় রেখে নতুন আশায় বুক বেঁধে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। হাতুড়ি আর লোহার টুংটাং শব্দে মুখরিত কামার পাড়াগুলো। হাসুয়া, কাস্তে, দা, বটি, ছুরি, চাপাতিসহ দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় লোহার ধারালো বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। লোহার মান ও পণ্যের আকার ভেদে এগুলোর দাম পড়বে ২০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে।

গতি নেই পশু কেনাকাটায়ও : সপ্তাহ খানেক সময় থাকলেও এখনও জমে উঠেনি কেনাকাটা। প্রতি বছর এ সময়ের আগেই বাংলাদেশে গরু-ছাগল কেনাবেচা বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে। ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু আসা অনেকটা কমে যাওয়ার পর গত কয়েক বছরে বাংলাদেশজুড়ে বহু ছোট ছোট খামার গড়ে উঠেছে, যার মূল লক্ষ্য থাকে কোরবানির পশুর হাট। গ্রামাঞ্চলে বহু পরিবার শুধু কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য গরু-ছাগল লালন পালন করে। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার গরু-ছাগল কেনাবেচা নিয়ে এক ধরনের সংকট হতে পারে বলে বিক্রেতা ও ক্রেতারা আশঙ্কা করছেন। ক্রেতাদের কাছ থেকে কোনো সাড়া-শব্দ নেই। ঈদুল আজহা টার্গেট করে খামারে গরু লালন-পালন করলেও বাজার কেমন হবে, সেটি নিয়ে উদ্যোক্তারা উদ্বেগে রয়েছেন। প্রতি বছর রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে কয়েকশ’ গরুর হাট বসলেও এবার তার সংখ্যাও হাতেগোনা। ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের এক সমীক্ষায় বলা হয়, ঈদে পরিবহন খাতে অতিরিক্ত যাচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা। এই উৎসবে ভ্রমণ ও বিনোদন বাবদ ব্যয় হয় ৪ হাজার কোটি টাকা। এসব খাতে নিয়মিত প্রবাহের বাইরে অতিরিক্ত যোগ হচ্ছে এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। এর বাইরে আরও কয়েকটি খাতের কর্মকাণ্ড অর্থনীতিতে যোগ হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ২১ লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্ভাব্য বোনাস বাবদ ১২ হাজার কোটি টাকা। দেশব্যাপী ৬০ লাখ দোকান কর্মচারী, পোশাক ও বস্ত্র খাতের ৭০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই ঈদে কিছুটা বোনাস পাবে, যা ঈদ অর্থনীতিতে বাড়তি গতি আনছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।