শনিবার ২৩ জানুয়ারি ২০২১ ৯ মাঘ ১৪২৭

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট থাকুক
খায়রুল আলম
প্রকাশ: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০, ১১:২৫ পিএম আপডেট: ২৭.০৭.২০২০ ১১:৩৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট থাকুক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট থাকুক

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি প্রতিবেশী দেশ। দুই দেশ আলাদা হলেও দুটি দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিতে রয়েছে অনেক মিল। দুই দেশেরই রয়েছে সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনের আগেও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে ভারতীয় সরকারের ভূমিকা ছিল উলেখযোগ্য। স্বাধীন বাংলাদেশের জনক জাতি পিতার স্বপ্ন পূরণের পথে ভারত সরকার ছিল বলতে গেলে প্রায় একক বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্তানী সেনা তথা হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল, তখন ভারতীয় জনসম্প্রদায় এবং ভারত সরকার অসহায় বাংলাদেশী মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। আশ্রয় দিয়েছিল, অন দিয়েছিল সেদিনের সব হারানো অসহায় বাংলাদেশীদের। আর এর মধ্য দিয়েই ভিত রচিত হয়েছিল বাংলাদেশভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সেই দুর্দিনে ভারতের দেয়া সমর্থন ও সাহায্যের কথা আজও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি আমরা। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ও ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৭২ সালে ‘দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব ও নিরাপত্তা’ চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এ ধরনের চুক্তি যথার্থ ছিল বলে মতামত ব্যক্ত করেন বোদ্ধারা। উভয় দেশই পরস্পরের ভৌগোলিক সীমারেখা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উনয়নের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। দুই দেশের মানুষ যখন তাদের ইতিহাস-ভূগোল-সংস্কৃতির এক অপূর্ব μিয়া-প্রতিμিয়ায় সম্পর্ককে এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, ঠিক তখনই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি একদল কুলাঙ্গার ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং এর মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেয় পাকিস্তানের পরাজিত শক্তি। ক্ষমতায় এসেই শুরু করে ভারত বিরোধিতা এবং জাগিয়ে দেয় সাম্প্রদায়িক উস্কানি। যার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিভিন প্রকার অপকর্ম এবং বিনষ্ট হয় একাত্তরের মিলিত রক্তস্রোতে পাওয়া বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তারপর দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক শাসন এবং সামরিক সমর্থন পুষ্ট সরকারের স্টিমরোলারে ধ্বংস হয় বাঙালী জাতিসত্তার সকল মূল্যবোধ, ঐতিহ্য এবং নাগরিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক গত এক দশকে আরও সুদৃঢ় হয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে দুই দেশের যে বন্ধন তৈরি হয়েছিল, সেই বন্ধন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণেই। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব একাধিকবার এই সম্পর্ককে ‘সোনালী অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৪১ বছর ধরে যে স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ঝুলে ছিল, সেই চুক্তির বাস্তবায়ন হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা নির্ধারণ হয়েছে। আর এসব গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনায় ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্য, সামরিক সহযোগিতা, আন্তঃযোগাযোগ, জ্বালানি-বিদ্যুৎ সহযোগিতা, ভিসা সহজীকরণ ইত্যাদি খাতে সহযোগিতা বেড়েছে। 

সমুদ্র সীমানা নিষ্পত্তি : 

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্র সীমা নিয়ে প্রায় তিন দশক ধরে বিরোধ চলছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই এই সমুদ্র সীমা বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ৭ জুলাই বাংলাদেশ-ভারতের সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তির রায় ঘোষণা করে আদালত। বঙ্গোপসাগরের বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাংলাদেশ পায় ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার। আর ভারত পায় ৬ হাজার ১৩৫ বর্গকিলোমিটার। আদালতের রায়কে উভয় দেশ মেনে নেয়। ভারত এই রায়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কে আরও গতি পায়।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট থাকুক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি অটুট থাকুক


স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন : 

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে ছিটমহল সমস্যা গত কয়েক দশক ধরে চলে আসছিল। উভয় দেশের কোনো সরকারই এই সমস্যা সমাধান করতে পারেনি। ছিটমহলবাসীরা সে কারণে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে এর জন্য ভারতের লোকসভায় বিল তুলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হয়েছিলো। সে অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৭ মে ভারতের লোকসভায় স্থল সীমান্ত চুক্তি বিল পাস হয়। ১৯৭৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি সই হয়েছিলো। ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে ছিটমহল বিনিময় হয়। শীর্ষ নেতাদের সফর : বাংলাদেশ ও ভারতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গত কয়েক বছর ধরে উচ্চপর্যায়ের সফর সম্পন হয়েছে। ২০১৫ সালের জুন মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা সফর করেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের এপ্রিলে, ২০১৯ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরে তিন দফা ভারত সফর করেন। এছাড়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে ভারতের কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকা সফর করেছেন। একই সঙ্গে ভারতের অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জ্বালানিমন্ত্রী, বাণিজ্য ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী ঢাকা সফর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ১০টিরও বেশি বৈঠক, ৮টি ভিডিও কনফারেন্স ও একাধিকবার টেলিফোনে আলাপ হয়েছে। ১৯টির বেশি উন্নয়ন প্রকল্প যৌথভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

ভিসা নিয়ে কোনো অভিযোগ নেই : 

বাংলাদেশ থেকে নানা কারণেই সাধারণ মানুষ ভারতে গিয়ে থাকেন। তবে ভিসা পাওয়া নিয়ে অতীতে অনেকের মধ্যেই আক্ষেপ ও হতাশা ছিল। বিশেষ করে ই-টোকেন না পাওয়ায় ভিসা পেতে বিড়ম্বনা হতো। এখন ভিসা সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয়ে গেছে। যে কারণে ২০১৫ সালে ভিসা দেওয়ার পরিমাণ ৫ লাখ। আর ২০১৮ সালে ১৪ লাখ ৫০ হাজারে উনীত হয়। ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৭৪ লাখ ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন সহজেই এক বছর মাল্টিপল ভিসা পাচ্ছেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, সিনিয়র সিটিজেনরা ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা সুবিধা পাচ্ছেন। ভিসা নিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে বেনাপোল, গেদে ও ২৪টি বিমানবন্দর পোর্ট উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সে কারণে অন্য যে কোনো পোর্টের ভিসা থাকলেও এসব পোর্ট দিয়ে ভ্রমণকারীরা ভারতে যেতে পারবেন। এছাড়া সিকিম, লাদাখ, অরুণাচলের মতো সংরক্ষিত এলাকায় অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশিদের ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরও ছয় জেলায় খোলা হয়েছে ভিসা আবেদন কেন্দ্র।
 
ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার : 

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বাণিজ্য বেড়েছে। বিগত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে এই বাণিজ্য ৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে উনীত হয়েছে। এছাড়া ভারতে বাংলাদেশের রফতানি দ্রুতগতিতে বাড়ছে। এই বৃদ্ধির পরিমাণ ১০৬ দশমিক ৪ শতাংশ হারে। বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানির হার বেড়েছে ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১০ বিলিয়নে উনীত হয়েছে। দু’দেশের মধ্যে চারটি সীমান্ত হাট স্থাপিত হয়েছে। এখন দুই দেশের মধ্যে আরও ৬টি সীমান্ত হাট চালুর প্রμিয়ায় রয়েছে। এই ৬টি সীমান্ত হাট চালু হলে মোট সীমান্ত হাটের সংখ্যা দাঁড়াবে ১০টি। দ্ইু দেশের মধ্যে মোট ২২টি সীমান্ত হাট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশে উনয়ন খাতে ভারতের সহযোগিতা বেড়েছে। এই সহায়তা ২০১৫ সালে ছিল তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে ৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পুরোপুরি ভারত সরকার থেকে অর্থায়ন করা ১৫শ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আন্তঃসংযোগ বৃদ্ধি : 

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগ বেড়েছে। ১৯৬৫ সালের আগে দু’দেশের মধ্যে চারটি রেলপথ আবারও চালুর প্রμিয়া চলছে। এর মধ্যে চলতি বছরেই চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেলপথ চালু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ঢাকা-মৈত্রী ট্রেনের কাস্টম-ইমিগ্রেশন সেবা ট্রেনে ওঠার শুরু ও শেষে আনা হয়েছে। ফলে যাত্রাপথে সীমান্তে যাত্রীদের সময় নষ্ট হচ্ছে না। একই সঙ্গে কলকাতা-খুলনার মধ্যে বন্ধন ট্রেন সার্ভিস চালু করা হয়েছে। ঢাকা-শিলংয়ের মধ্যে চালু করা হয়েছে সরাসরি বাস সার্ভিস। কলকাতা থেকে বাংলাদেশে নৌ জাহাজ চলাচল শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা কার্গো সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথেও আন্তঃসংযোগ বেড়েছে। বাংলাদেশভারত-নেপাল-ভুটানের মধ্যে সড়ক পথে যোগাযোগের জন্য বিবিআইএন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর এই উদ্যোগে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে সহযোগিতা : 

ভারত থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানি করছে বাংলাদেশ। আর এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইনের আওতায় শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। বর্তমানে ভারত থেকে বাংলাদেশে এক হাজার ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। রামপালে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মিত হচ্ছে। ভারত থেকে বাংলাদেশে এলএনজি গ্রিড স্থাপনেও চলছে সমীক্ষা। বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক বিদ্যমান। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান সম্পর্ক ‘সোনালি অধ্যায়ে’ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রাহ্মনিয়াম জয়শঙ্কর বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী। এই সম্পর্ক আগামীতে আরও বাড়বে বলেও প্রত্যাশা করেছেন তিনি। ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি. মুরালিধরন বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত সোনালী অধ্যায়ে লিপিবদ্ধ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সাল থেকে দুই দেশের সম্পর্কে খুব উনয়ন ঘটেছে। এই সময় থেকে দুই দেশের স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন হয়েছে, সমুদ্র বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে, কানেক্টিভিটি চুক্তি সই হয়েছে। একই সাথে বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন এলাকায় ৪০টির বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে ভারত।

লেখক : যুগ্ম সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।