সোমবার ৬ জুলাই ২০২০ ২২ আষাঢ় ১৪২৭

লঞ্চডুবি : প্রায় ১২ ঘন্টা পর একজন জীবিত উদ্ধার
হাবিবুর রহমান বাবু
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০, ১১:১২ পিএম আপডেট: ৩০.০৬.২০২০ ৯:২৮ এএম | অনলাইন সংস্করণ

লঞ্চডুবি : প্রায় ১২ ঘন্টা পর একজন জীবিত উদ্ধার

লঞ্চডুবি : প্রায় ১২ ঘন্টা পর একজন জীবিত উদ্ধার

আজ সকাল সাড়ে নয়টার সময় সদরঘাটের কাছে শ্যামপুরে বুড়িগঙ্গায় ডুবে যায় মুন্সীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চ মর্নিং বার্ড।
লঞ্চ ডুবির প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রাত দশটার দিকে ডুবন্ত লঞ্চের ভেতর থেকে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের মাধ্যমে জানা যায়, রাত দশটার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চ মর্নিং বার্ড পানির নিচ থেকে উঠানোর সময় লঞ্চের ভেতর থেকে মধ্যবয়সি একজনকে জীবিত উদ্ধার করে ডুবুরিরা। প্রায় ১২ ঘন্টা পানির নিচে থাকার কারণে তার তাপমাত্রা কমে গিয়েছে। উপরে উঠিয়ে তাকে লাইফ জ্যাকেট দিয়ে শরীর মেসেজ করে শরীর গরম করার চেষ্টা করেন কোস্টগার্ড ফায়ারসার্ভিস নৌবাহিনীর সদস্যরা সহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা।

কোস্টগার্ড ও নেভির কর্মকর্তারা জানান, তারা যখন উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিটিকে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিলেন তিনি চোখের ইশারায় কথার জবাব দেয়ার চেষ্টা করছিলেন। পানির নিচে তলিয়ে গেলেও এ ব্যক্তি কীভাবে বেঁচে গেলেন তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে  উপস্থিত সকলের মধ্যে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি যেখানে আটকা পড়েছিলেন সেখানে হয়তো সেভাবে পানি প্রবেশ করেনি। আজ যখন টিউবের মাধ্যমে বিশেষ প্রক্রিয়ায় লঞ্চটি তোলার চেষ্টা করা হচ্ছিল তখন লঞ্চটি সামান্য ভেসে ওঠার পর ওই ব্যক্তি নিজের প্রচেষ্টায় বেরিয়ে আসেন এবং উদ্ধার কর্মীরা তাকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে নৌকায় তুলেন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।