শনিবার ৩০ মে ২০২০ ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

‘রোমিও’র তরুন ব্যান্ড “রং তুলি”
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২০, ১:১৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

‘রোমিও’র তরুন ব্যান্ড “রং তুলি”

‘রোমিও’র তরুন ব্যান্ড “রং তুলি”

বাংলা সঙ্গীতের শ্রোতা প্রিয় তরুন ব্যান্ড “রং তুলি”। এ ব্যান্ডের অধিকাংশ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক আহসান হাবিব রোমিও নিজেই। সঙ্গীতে “গিটারিস্ট রোমিও” নামেই যার পরিচিতি। গেয়েছেন কয়েকটি জনপ্রিয় সঙ্গীত। গানের প্রতিটি কথা জীবনের বাস্তবতা থেকে নেয়া। সুরেলা কন্ঠের সাথে বাজানো হয়েছে আধুনিক বাদ্যযন্ত্র। অজানা কারণবসত ক্ষনিকের জন্য থমকে যাওয়া একদল তরুনের সপ্ন দীর্ঘ বিরতির পর ভক্তের ভালবাসায় পুনরায় ফিরলেন সঙ্গীত জগতে। একদল তরুণের একগুচ্ছ সপ্ন ও ভাবনা নিয়ে লিখেছেন মো.শাহেল মাহমুদ 

এই মুহুর্তে নতুন চমক আছে কি ?  
বর্তমানে “রং তুলি” ব্র্যান্ডে কাজ করছি। এই ব্যান্ডের ব্যানারে আধুনিক গানের সমাহারে আসবে নতুন এ্যালবাম। সঙ্গীত জগতের পরিচিত নাম পলাশ ফারুকীর সহযোগীতায় এ্যালবামটির কাজ চলছে। এতে “মা” শিরোনামে একটি চমৎকার গানসহ থাকবে আরো কয়েকটি আধুনিক গান। নিজেই প্রতিটি গানের কথা ও সুর করেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ্যালবামটি বেড় হবে। যার প্রতিটি গানই অনেক ভাল। আশা করছি সকলেরই পছন্দ হবে। 

আপনার লেখা প্রথম গান কোনটি ?
২০০৬ সালে স্কুল জীবনে লেখা “ভেসেছি ভাল অন্তর থেকে” শিরোনামে প্রথম গান এবং “বিধির বিধান” শিরোনামে ২য় গান লেখা হয়। পরে সময়ের সাথে সাথে প্রায় শতাধিক গান লেখা হয়েছে।

কিভাবে সঙ্গীতের সুচনা ? 
বাল্যকাল থেকেই সঙ্গীতের প্রতি প্রচন্ড রকমের দুর্বলতা, ভাললাগা কাজ করতো। ২০০৯ সালে “তাজমহল” ব্যান্ড এবং সঙ্গীতের প্রিয় মুখ শিবলু ভাইয়ের হাত ধরেই সঙ্গীতের সূচনা। আপন চাচা লিয়ন ওস্তাদ গানের শিক্ষক হওয়া স্বত্তেও পারিবারিক নিদিষ্ট গন্ডি থাকায় প্রচন্ড বেগ পোহাতে হয়। তবে, পরিবারের বাধা থাকায় লুকিয়ে লুকিয়ে গান শেখাটাই ছিল তখন চেলেঞ্জ। 

আগে কোথায় কাজ করেছেন ?
২০১১ তে প্রথম ব্যান্ড “জোনাকি” এবং ২০১২ তে দ্বিতীয় ব্যান্ড “ইচ্ছে ঘুড়ি” এবং ২০১৩ তে “রং তুলিতে” যোগদান করি। ২০১৬ তে “ফিনোমেনোন প্রোডাকশন হাউজ’’এ মুক্তি পায় “ছলনার মুখোশ নামক” আমার একটি মিউজিক ভিডিও। বর্তমানে নিজস্ব ব্যান্ড রং তুলিতে কাজ চলছে ।

“রং তুলি” ব্যান্ডে সদস্য কে কে ?
দর্শকনন্দিত ব্যান্ড “রং তুলি”ব্যান্ড এর প্রধান এএইচ রোমিও নিজেই। বর্তমানে সাথে রয়েছেন, গায়ক আব্দুল্লাহ মাজেদ, কিবোর্ডিস্ট সাকিব, লিড গিটারিস্ট রেজা, বেজ গিটারিস্ট রনি, ড্রামার সিপন, এবং মেয়ে সিংগার বিপাশা প্রমুখ। সঙ্গীতের প্রতি প্রচন্ড রকমের ভালবাসা এবং দুর্বলতা তাদের। দর্শক ও শ্রোতাদের মন জয় করতে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছে এই ব্যান্ডের প্রতিটি সদস্য।

বর্তমান পেশা কী ? 
পেশায় ঢাকা বিভাগীয় আইন সহায়তা ফাউন্ডেশন এর প্রধান প্রশাসনিক এবং তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। 

ব্যাক্তিগত যোগ্যতা কী ?
২০০৯ সালে রংপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি, ২০১১ তে রংপুর লায়ন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি এবং শান্ত-মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় এন্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলোজি থেকে ২০১৬ সালে ফ্যাশন ডিজাইনার এর উপর স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

জন্ম ও জন্মস্থান ?
১৯৯০ সালে রংপুর শহরের পানি উন্নয়ন বোর্ড স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় মুসলিম পরিবারে জন্ম। দুই ভাই এক বোনের সংসারে “রোমিও” মেজ সন্তান। পিতা রাশিদুল ইসলাম পেশায় সরকারী চাকুরীজীবি এবং মা ছিলেন গৃহিনী।

সঙ্গীতে বিরতীর কারণ ?
 ২০১৭ সালে পৃথীবির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ‘মা’ কে হারাই। তারপর শারীরিক ও মানসিক ভাবে অনেকটাই ভেঙ্গে পরি। ক্রমাগত বাড়তে থাকে অসুস্থতা। আর থেমে যায় সঙ্গীতের পথ চলা। 

দর্শক ও শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে কি বলবেন ?
গোটা পৃথিবী করোনা নামক মহামারীতে স্তম্ভিত হয়ে আছে। করোনা ভাইরাসকে প্রতিহত করতে সরকারী নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন এবং আল্লাহর কাছে বেশি বেশি প্রার্থণা করুন। সুস্থ ধারার গান শুনুন। এ যাত্রায় বেচেঁ ফিরলে পুনরায় এক সাড়িঁতে সমবেত হব-ইনশাআল্লাহ।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।