শুক্রবার ৫ জুন ২০২০ ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

লকডাউনে টেনশন কমাতে যা করবেন
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০, ৭:৩৯ পিএম আপডেট: ২১.০৪.২০২০ ৭:৪৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

লকডাউনে টেনশন কমাতে যা করবেন

লকডাউনে টেনশন কমাতে যা করবেন

লকডাউনের মেয়াদ যত বাড়ছে, ততই বেড়ে চলেছে আমাদের দুশ্চিন্তা। কিছুতেই যে আর নিশ্চিন্ত থাকা যাচ্ছে না! এক দিকে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। অন্য দিকে, লকডাউন কবে উঠবে, সেই অনিশ্চয়তায় ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে তীব্র অর্থনৈতিক মন্দার ভয়। এই দুই চিন্তায় প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। আবার ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ব্যস্ত শিডিউলের সঙ্গে মানিয়ে নিতেও কারও কারও বেশ অসুবিধাই হচ্ছে। বাড়ির কাজ করে অফিসের কাজ সময়মতো শেষ করা যাচ্ছে না। ফলে, রাত জাগতেই হচ্ছে। বিছানায় শোওয়ার পরেও ঘুম আসছে না কিছুতেই!

কী ভাবে মুক্তি পাবেন এই পরিস্থিতি থেকে?

লকডাউনের এই অস্থিরতায় একটা রুটিন বানিয়ে ফেলুন। বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করছেন মানে আপনার স্বাভাবিক রুটিন কিন্তু অনেকটাই বদলে গিয়েছে। কাজেই এই সময়ের জন্য আমাদের একটা নতুন রুটিন বানিয়ে নিতে হবে। তার জন্য আমাদের ঘুমের প্যাটার্নটা একটু বদলে নিতে হবে। রাত জেগে কাজ করার অভ্যেস ছাড়তে হবে। রাতে ঘুম পেলে ঘুমিয়ে পড়ুন। আর সকালে ওঠার জন্য ঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রাখবেন না। স্বাভাবিক ভাবেই ঘুমটা ভাঙতে দিন। এতে প্রথম ক'দিন আপনি একটু বেশি ঘুমোতে পারেন। কিন্তু খুব শীঘ্রইএকটা ছন্দ চলে আসবে। তখন আর অসুবিধে হবে না।

দুপুরে একেবারেই ঘুমোবেন না। বাড়িতে থাকলে দুপুরে খাওয়ার পর চোখ জড়িয়ে আসতে পারে ঘুমে। কিন্তু ঘুমোবেন না। তাতে আপনার অফিসের কাজ তো বটেই, এমনকী, রাতের ঘুমও নষ্ট হয়ে যাবে। তবে আগের রাতে যদি একদমই ঘুম না হয়ে থাকে, তবে একটু চোখ বুজে নিতে পারেন। খুব বেশি হলে মিনিট দশ-পনেরোর জন্য।

দুপুরে ঘুম এড়াতে শোওয়ার ঘরে বসে কাজ করবেন না। তাতে বিছানায় গা একটু এলিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা হতে পারে। তাই কাজের সময় শোওয়ার ঘরটা এড়িয়ে চলুন। বিছানায় নয়, চেয়ার-টেবিলে বসে কাজ করুন। প্রয়োজনীয় স্টেশনারি হাতের কাছে রাখুন। ঘড়ি ধরে কাজ করুন, যেমনটা অফিসে করেন। তাতে খানিকটা অফিসে বসে কাজ করার মতো মনে হবে।
রাতে ঘুম না হওয়া রুখতে দিনে কফি খাওয়ার পরিমাণ কমান।

এমনিতেই অতিরিক্ত ক্যাফিন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। তাই ঘুমের সমস্যা থাকলে বিকেলের দিকে বা সন্ধ্যার পর কফি না খাওয়াই উচিত। কফির নেশা থাকলে দিনের বেলায় খান। তবে দু'তিন কাপের বেশি নয়। কিন্তু সন্ধ্যা বা রাতের দিকে একেবারেই নয়।

আর সারা দিন বাড়িতে বসে বসে কাটাবেন না। কিছু শারীরিক কসরত করুন। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে হাঁটুন, জগিং করুন। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও করতে পারেন। কিছু না হলে সিঁড়ি ভেঙে ওঠা-নামা করুন। ব্যায়ামটা দিনের শুরুতেই করে ফেললে সারা দিন বাড়তি এনার্জি পাবেন।

রাতের খাবারও খুব দেরি করে খাবেন না। ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে টিভি বন্ধ করে দিন। এড়িয়ে চলুন মোবাইল। ঘরের আলো কম রাখুন। ঘরের পরিবেশ যেন যথাসম্ভব আরামদায়ক থাকে। ঘুম না এলেও রোজ নির্দিষ্ট সময়ে শুতে যান।

আর এড়িয়ে চলুন যাবতীয় দুশ্চিন্তা। আপনি যদি ক্রনিক অনিদ্রার রোগী না হন, শুধু বাড়তি মানসিক চাপ বা অবসাদের জন্যই অনিদ্রায় ভুগতে শুরু করেন, তা হলে আপনার প্রথম কাজ মানসিক চাপ কমানো। মনকে বোঝান, যে বিষয়গুলোর উপর আপনার কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেও লাভ নেই। এর পরেও ঘুম নিয়ে সমস্যা হলে কাউন্সেলিং করাতে পারেন। সূত্র : আনন্দবাজার।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।