মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২০ ১৫ চৈত্র ১৪২৬

ফেয়ারনেস ক্রিম বাড়ায় ক্যানসারের ঝুঁকি
স্বদেশ অনলাইন
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০, ৭:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ফেয়ারনেস ক্রিম বাড়ায় ক্যানসারের ঝুঁকি

ফেয়ারনেস ক্রিম বাড়ায় ক্যানসারের ঝুঁকি


এখনো গায়ের রং সৌন্দর্যের একটা মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। গায়ের রং যদি ফর্সা হয়, তাহলে সে সুন্দর বা সুন্দরী হিসেবে বিবেচিত হয় অনেকের কাছে। তাই অনেকেই নিজের গায়ের রং ফর্সা করার জন্য বাজারে চলতি নানা রকম ফেয়ারনেস ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ফেয়ারনেস ক্রিমেই লুকিয়ে রয়েছে ক্যানসারের ঝুঁকি। অন্তত এমনটাই দাবি করছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ফেয়ারনেস ক্রিম থেকেই হতে পারে ত্বকের ক্যানসার। এটি থেকে ত্বকের অন্যান্য অনেক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। কারণ এই ধরনের ক্রিমে এমন কিছু রাসায়নিক মেশানো থাকে, যা আমাদের ত্বকের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

একাধিক পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে, ফেয়ারনেস ক্রিমে স্টেরয়েড, হাইড্রোকিউনিয়ন, ট্রিটিনিয়ন-এর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানো থাকে। এগুলো ত্বকের সংস্পর্শে এলে ক্যানসার, ব্রনের সমস্যা, লিভারের সমস্যার মতো একাধিক সমস্যা বেড়ে যায়। এই ধরনের সমস্যা সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছরের নারীদের মধ্যেই বেশি দেখতে পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে দিল্লির চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. নিতিন ওয়ালিয়া জানিয়েছেন, ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের মধ্যে ফর্সা হওয়ার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ ব্যবহারকারী যদি নিয়মিত এই ধরনের ক্রিম ব্যবহার করেন, তাহলে ক্ষতির আশঙ্কা অনেকটাই বেশি থাকে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।