রোববার ১৬ মে ২০২১ ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর পরামর্শ বাণিজ্য সচিবের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ

পাবলিক এবং প্রাইভেট সেক্টরের মধ্যে একটা শক্ত মেলবন্ধন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন। তিনি বলেছেন, দুই সেক্টরের মধ্যে আরও সম্পর্ক বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হবে। গতকাল রোববার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড (ইআরএফ) বা রফতানি প্রস্তুতি তহবিল কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ সব কথা জানান। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইআরএফ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় ইসিফোরজে প্রকল্পের একটি ম্যাচিংগ্রান্ট কর্মসূচি। বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ইআরএফ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। কর্মসূচিটি বাংলাদেশের চারটি সম্ভাবনাময় খাতের রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এ সব খাত হচ্ছেÑ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল পণ্য। বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা মোতাবেক প্রয়োজনীয় পরিবেশগত, সামাজিক এবং গুণগতমানের জন্য যোগ্য ও আগ্রহী উদ্যোক্তাদের ম্যাচিং গ্র্যান্ট প্রদান করবে। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব বলেন, প্রাইভেট সেক্টর এবং পাবলিক সেক্টরের মধ্যে একটা শক্ত বুনিয়াদ দরকার। দুই সেক্টরের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বা বন্ধন যদি না থাকে তা হলে দেশকে এগিয়ে নেওয়াটা কঠিন। তাই এ দুই সেক্টরের মধ্যে আরও সম্পর্ক বাড়িয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, ৭শ’-এর বেশি পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থাসহ জনবল দুই হাজার ৫০০ জনের মতো। অথচ শুধু তৈরি পোশাক খাতে জনবল ৪০ লাখ। পাবলিক সেক্টর বনাম প্রাইভেট সেক্টরকে কোনো প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দিলে এটা সংখ্যাতত্ত্বে মিলে না। তাই প্রাইভেট সেক্টরের সঙ্গে পাবলিক সেক্টরের রোলটা হবে সাপোর্টিং রোল। আর অ্যাকশন রোলটা হবে প্রাইভেট সেক্টরের, যোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, আজকের আলোচনায় সরকারের মধ্যে ম্যানেজমেন্টে কিছু সমন্বয়হীনতার চিত্র উঠে এসেছে। এ সব সমন্বয়হীনতা দূর করতে প্রতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে লেদার সেক্টর নিয়ে আমরা বসব। ইতোমধ্যে একটা মিটিং আমরা করেছি। সে মিটিং থেকে কিছু অ্যাকশান প্ল্যান তৈরিও করেছি। আমরা সব সেক্টরকে নিয়েও এভাবেই সামনে এগিয়ে যাব। জাফর উদ্দিন বলেন, আজকে যে প্রকল্পটির উদ্বোধন হলো, এ প্রকল্পে চারটি সেক্টর নিয়ে কাজ হবে। তবে এটাও স্বীকার করি যে, আরও অনেক সেক্টর বাদ রয়ে গেল। সিরামিক, ফার্মাসিউটিক্যালসহ আরও কিছু সেক্টর রয়েছে, আমরা এগুলোকে নিয়েও আগামীতে কাজ করব। তিনি বলেন, আজকের প্রজেক্টে ৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এটা অল্প হলেও খুব কাজে দেবে। তিনভাবে এটা দেওয়া হবে। পাঁচ হাজার ডলার দেওয়া হবে গ্যাপ অ্যানালাইসিস অ্যাসেসমেন্টের জন্য। পরবর্তী ধাপে আমরা ৪০ হাজার এবং দুই লাখ ডলার দেব। কাজেই আশা করি, একটা ভালো কাজ শুরু হলো। জাফর উদ্দিন আরও বলেন, আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। কিন্তু আমি মনে করি, এটা আরও বেশি হওয়া উচিত। আমরা বর্তমানে যে পদ্ধতিতে জিডিপি নির্ধারণ করি তাতে মেয়েদের গৃহস্থালির কাজ যুক্ত নয়। মা-বোনদের কাজ এতে যুক্ত থাকলে জিডিপি আরও বেড়ে যেত। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) সভাপতি জসিম উদ্দিন, ইআরএফ প্রকল্প পরিচালক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ওবাইদুল আযম, ইআরএফের ডেপুটি টিম লিডার ইমদাদুল হক প্রমুখ।
ফুসফুসের সুস্থতা জরুরি রোগমুক্ত থাকতে
 ডেস্ক রিপোর্ট
সাধারণত ফুসফুস কতটা সুস্থ রয়েছে তা নির্ভর করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসেবে বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতার ওপর। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ফুসফুসের বাতাস ধারণক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে একে সুস্থ রাখতে পারলেই অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এ কারণে ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ফুসফুসের যত্ন নেওয়া জরুরি। বয়স ৪০ পার হলেই এ বিষয়ে অধিক মনোযোগ দিতে হবে। আর যাদের বয়স এখনো ৪০ হয়নি তাদের উচিত আগে থেকেই ফুসফুসের যত্ন নেওয়া। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য রয়েছে নানা রকম ব্যায়াম, বিশেষ করে কিছু কার্ডিও এক্সারসাইজ। সঙ্গে অবশ্যই শ্বাসের কিছু ব্যায়াম, নিজের ওঠাবসার প্রতি খেয়াল রাখা, ধূমপান ত্যাগ করা ফুসফুসের যত্নের জন্য জরুরি। ফুসফুসের অ্যালভিওলাই যত শক্তিশালী হবে ও ফুসফুসের পেশিগুলো যত মজবুত হবে, ততই তার বাতাস ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়বে। কার্ডিও এক্সারসাইজ: সাইক্লিং, রোয়িং, ট্রেডমিল এইসব কার্ডিও এক্সারসাইজগুলো ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খুব উপযোগী। তবে দীর্ঘ সময় ধরে একটানা অভ্যাস করা উচিত নয়, বরং মাঝে মাঝে কিছুটা বিরাম নিয়ে এই ধরনের ব্যায়াম রপ্ত করতে পারলে তা ফুসফুসকে মজবুত করে।শরীরের অন্যান্য রোগের ওপর নির্ভর করে এই ধরনের ব্যায়ামের সময়সীমা নির্ধারণ করেন চিকিৎসকরা। তাই এই ব্যায়ামগুলোর আগে ফিটনেস বিশেষজ্ঞ ও ট্রেনারের পরামর্শ প্রয়োজন। শরীরের গঠন অনুযায়ী নারীর তুলনায় পুরুষের ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বেশি হয়। কিন্তু দীর্ঘ অনিয়ম ও অযত্নে তা কমতে পারে। আবার একটু বেশি যত্ন নিলে নারীর ফুসফুসের ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে তাকে সুস্থ রাখা যায়।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন

প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।
ফোন: ৯৮৫১৬২০, ৮৮৩২৬৪-৬, ফ্যাক্স: ৮৮০-২-৯৮৯৩২৯৫। ই-মেইল : e-mail: [email protected], [email protected]
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ওয়াকিল উদ্দিন
সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম রতন
প্রকাশক: স্বদেশ গ্লোবাল মিডিয়া লিমিটেড-এর পক্ষে মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী কর্তৃক আবরন প্রিন্টার্স,
মতিঝিল ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও ১০, তাহের টাওয়ার, গুলশান সার্কেল-২ থেকে প্রকাশিত।